নীলফামারীর সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতাল বর্তমানে ভয়াবহ ময়লা-দূষণের কারণে নিজেই ‘অসুস্থ’ হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও নিয়মিত তদারকির অভাবে হাসপাতালটি এখন আশপাশের প্রায় ১০ লাখ মানুষের চিকিৎসা সেবার একমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠানে চরম সংকট তৈরি করেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতাল চত্বর ও ভবনগুলোর চারপাশে দীর্ঘদিনের জমে থাকা ময়লা, মেডিকেল বর্জ্য এবং দুর্গন্ধময় আবর্জনা পরিবেশকে মারাত্মকভাবে দূষিত করছে। ইনজেকশনের সিরিঞ্জ, গজ, ব্যান্ডেজ, ডায়াপারসহ বিভিন্ন বর্জ্য ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকায় রোগী ও স্বাস্থ্যকর্মীরা চরম দুর্ভোগে রয়েছেন।
অভিযোগ রয়েছে, ডাস্টবিন উপচে পড়ে চারপাশে ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। বৃষ্টির পানি জমে মশা ও মাছির উপদ্রব বাড়ছে, যা রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি আরও বৃদ্ধি করছে।
রোগীর স্বজনরা জানান, হাসপাতালে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, অপরিচ্ছন্ন টয়লেট, মশার উপদ্রব এবং বর্জ্যের দুর্গন্ধে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করাই কঠিন হয়ে পড়েছে। অনেক রোগীকে মেঝেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার জানান, পরিচ্ছন্নতাকর্মীর সংকট এবং পৌরসভার নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ না হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। তিনি জানান, বিকল্পভাবে ঠিকাদারের মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে হাসপাতালটি চিকিৎসা সেবার পরিবর্তে স্বাস্থ্যঝুঁকির কেন্দ্র হয়ে উঠবে।

সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬
নীলফামারীর সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতাল বর্তমানে ভয়াবহ ময়লা-দূষণের কারণে নিজেই ‘অসুস্থ’ হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও নিয়মিত তদারকির অভাবে হাসপাতালটি এখন আশপাশের প্রায় ১০ লাখ মানুষের চিকিৎসা সেবার একমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠানে চরম সংকট তৈরি করেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতাল চত্বর ও ভবনগুলোর চারপাশে দীর্ঘদিনের জমে থাকা ময়লা, মেডিকেল বর্জ্য এবং দুর্গন্ধময় আবর্জনা পরিবেশকে মারাত্মকভাবে দূষিত করছে। ইনজেকশনের সিরিঞ্জ, গজ, ব্যান্ডেজ, ডায়াপারসহ বিভিন্ন বর্জ্য ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকায় রোগী ও স্বাস্থ্যকর্মীরা চরম দুর্ভোগে রয়েছেন।
অভিযোগ রয়েছে, ডাস্টবিন উপচে পড়ে চারপাশে ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। বৃষ্টির পানি জমে মশা ও মাছির উপদ্রব বাড়ছে, যা রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি আরও বৃদ্ধি করছে।
রোগীর স্বজনরা জানান, হাসপাতালে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, অপরিচ্ছন্ন টয়লেট, মশার উপদ্রব এবং বর্জ্যের দুর্গন্ধে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করাই কঠিন হয়ে পড়েছে। অনেক রোগীকে মেঝেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার জানান, পরিচ্ছন্নতাকর্মীর সংকট এবং পৌরসভার নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ না হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। তিনি জানান, বিকল্পভাবে ঠিকাদারের মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে হাসপাতালটি চিকিৎসা সেবার পরিবর্তে স্বাস্থ্যঝুঁকির কেন্দ্র হয়ে উঠবে।
