মার্কিন অবরোধ উপেক্ষা করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে ইরানের ৫২টি জাহাজ নির্বিঘ্নে চলাচল করেছে বলে দাবি করেছে ইরান। গত ৭২ ঘণ্টায় এসব জাহাজ নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সি। খবর প্রকাশ করেছে মিডল ইস্ট মনিটর।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্যাটেলাইট ট্র্যাকিং তথ্য বলছে—গত সোমবার রাত ১০টা পর্যন্ত আগের তিন দিনে মোট ৫২টি জাহাজ এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ অতিক্রম করে। এর মধ্যে ৩১টি তেলবাহী ট্যাংকার এবং ২১টি পণ্যবাহী জাহাজ রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জোটের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। এর প্রেক্ষিতে ২ মার্চ ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধের ঘোষণা দেয়, যা বিশ্ববাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে উদ্বেগ সৃষ্টি করে।
পরবর্তীতে পরিস্থিতি শান্ত করতে পাকিস্তান-এর মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। তবে ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদ-এ অনুষ্ঠিত বৈঠকে স্থায়ী সমাধান হয়নি।
এরপর ২১ এপ্রিল ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, পাকিস্তানের অনুরোধে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। ইরানের পক্ষ থেকে নতুন প্রস্তাব না আসা পর্যন্ত এই যুদ্ধবিরতি বহাল থাকবে বলে উল্লেখ করা হয়।

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
মার্কিন অবরোধ উপেক্ষা করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে ইরানের ৫২টি জাহাজ নির্বিঘ্নে চলাচল করেছে বলে দাবি করেছে ইরান। গত ৭২ ঘণ্টায় এসব জাহাজ নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সি। খবর প্রকাশ করেছে মিডল ইস্ট মনিটর।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্যাটেলাইট ট্র্যাকিং তথ্য বলছে—গত সোমবার রাত ১০টা পর্যন্ত আগের তিন দিনে মোট ৫২টি জাহাজ এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ অতিক্রম করে। এর মধ্যে ৩১টি তেলবাহী ট্যাংকার এবং ২১টি পণ্যবাহী জাহাজ রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জোটের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। এর প্রেক্ষিতে ২ মার্চ ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধের ঘোষণা দেয়, যা বিশ্ববাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে উদ্বেগ সৃষ্টি করে।
পরবর্তীতে পরিস্থিতি শান্ত করতে পাকিস্তান-এর মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। তবে ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদ-এ অনুষ্ঠিত বৈঠকে স্থায়ী সমাধান হয়নি।
এরপর ২১ এপ্রিল ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, পাকিস্তানের অনুরোধে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। ইরানের পক্ষ থেকে নতুন প্রস্তাব না আসা পর্যন্ত এই যুদ্ধবিরতি বহাল থাকবে বলে উল্লেখ করা হয়।
