পাকিস্তানি বিনোদন অঙ্গনে প্রথমবারের মতো জুটি বেঁধেছেন জনপ্রিয় দুই তারকা মাহিরা খান ও ওয়াহাজ আলী। তাদের অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত নাটক ‘মিট্টি দে বাওয়ে’র ট্রেলার ও প্রথম টিজার প্রকাশের পর গল্পের রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে। প্রেম, শ্রেণিবৈষম্য, কারাবাস, ক্ষমতা ও প্রতিশোধের আবহে নির্মিত নাটকটি নিয়ে দর্শকদের আগ্রহও বাড়ছে।
নাটকটিতে মাহিরা খানকে দেখা যাবে বিলকিস, সংক্ষেপে ‘বিল্লো’ চরিত্রে। প্রভাবশালী ও বিত্তশালী পরিবারের মেয়ে বিল্লোর জীবনে প্রেম আসে ইকবাল ওরফে ‘বালা’র মাধ্যমে। ওয়াহাজ আলীর চরিত্র বালা আর্থিকভাবে সংগ্রামরত একটি পরিবারের ছেলে। মায়ের সঙ্গে বিভিন্ন বিয়ের অনুষ্ঠানে বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে সে।
ফলে বিল্লো ও বালার পারিবারিক ও সামাজিক অবস্থানের বড় পার্থক্য শুরু থেকেই তাদের সম্পর্কের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ট্রেলার থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যায়, একসময় দুজন গভীর সম্পর্কে জড়িয়ে পড়লেও সেই প্রেমের পরিণতি সুখকর হয়নি।
কোনো এক অপরাধে বালাকে কারাগারে যেতে হয়। এরপর বদলে যায় দুজনের জীবন। বালা যখন কারাগারে, তখন বিল্লোর জীবনও অন্যদিকে মোড় নেয়। পরবর্তী সময়ে তাকে আধ্যাত্মিক নেতা বা পীরের ভূমিকায় দেখা যায়।
বেশ কয়েক বছর পর কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে বালা ফিরে আসে সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপে। ট্রেলারে তাকে কঠোর ও অস্ত্র চালনায় দক্ষ চরিত্র হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। অন্যদিকে বিল্লোর মধ্যেও সাবেক প্রেমিকের প্রতি তৈরি হয়েছে তীব্র বিরূপতা। ফলে তাদের পুনর্মিলন পুরোনো প্রেমের গল্পে ফেরার বদলে নতুন সংঘাতের সূচনা করে।
প্রথম টিজারে দুই চরিত্রের সামাজিক ব্যবধানও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বিল্লোর চোখে বালার পারিবারিক পরিচয়ের প্রতি অবজ্ঞা যেমন দেখা যায়, তেমনি বালার মধ্যেও নিজের সামাজিক অবস্থান নিয়ে হীনমন্যতা ও ক্ষোভ ফুটে ওঠে। অর্থাৎ তাদের সম্পর্কের গল্পে প্রেমের পাশাপাশি শ্রেণিবৈষম্যও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
টিজারের শেষ মুহূর্তে আরও বড় চমক দেখা যায়। সেখানে বিল্লোকে বালার উদ্দেশে কঠোর হুমকি দিতে শোনা যায়। তার জীবন ধ্বংস হলে বালাকেও শান্তিতে থাকতে দেবেন না এমন ইঙ্গিতই পাওয়া যায় সেই সংলাপে। এতে পুরোনো প্রেম যে ক্ষোভ ও প্রতিশোধের রূপ নিয়েছে, তা স্পষ্ট হয়।
‘মিট্টি দে বাওয়ে’ লিখেছেন ফায়জা ইফতিখার এবং পরিচালনা করেছেন সৈয়দ ওয়াজাহাত হুসেইন। মাহিরা খান ও ওয়াহাজ আলীর পাশাপাশি নাটকটিতে অভিনয় করেছেন আদিতি রাও হায়দারি, জুনায়েদ খান, হিনা আফরিদি ও আমর খান।
মাহিরা খান ও ওয়াহাজ আলীর এটি প্রথম যৌথ টেলিভিশন প্রজেক্ট। ফলে শুরু থেকেই নাটকটি নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ ছিল। ট্রেলার প্রকাশের পর তাদের অভিনয় ও পর্দার রসায়ন নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।
তবে ‘মিট্টি দে বাওয়ে’ কবে প্রচারে আসবে, সেই তারিখ এখনো ঘোষণা করেনি গ্রিন এন্টারটেইনমেন্ট। আপাতত দর্শকদের জন্য নির্মাতাদের বার্তা ‘কামিং সুন’।

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পাকিস্তানি বিনোদন অঙ্গনে প্রথমবারের মতো জুটি বেঁধেছেন জনপ্রিয় দুই তারকা মাহিরা খান ও ওয়াহাজ আলী। তাদের অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত নাটক ‘মিট্টি দে বাওয়ে’র ট্রেলার ও প্রথম টিজার প্রকাশের পর গল্পের রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে। প্রেম, শ্রেণিবৈষম্য, কারাবাস, ক্ষমতা ও প্রতিশোধের আবহে নির্মিত নাটকটি নিয়ে দর্শকদের আগ্রহও বাড়ছে।
নাটকটিতে মাহিরা খানকে দেখা যাবে বিলকিস, সংক্ষেপে ‘বিল্লো’ চরিত্রে। প্রভাবশালী ও বিত্তশালী পরিবারের মেয়ে বিল্লোর জীবনে প্রেম আসে ইকবাল ওরফে ‘বালা’র মাধ্যমে। ওয়াহাজ আলীর চরিত্র বালা আর্থিকভাবে সংগ্রামরত একটি পরিবারের ছেলে। মায়ের সঙ্গে বিভিন্ন বিয়ের অনুষ্ঠানে বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে সে।
ফলে বিল্লো ও বালার পারিবারিক ও সামাজিক অবস্থানের বড় পার্থক্য শুরু থেকেই তাদের সম্পর্কের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ট্রেলার থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যায়, একসময় দুজন গভীর সম্পর্কে জড়িয়ে পড়লেও সেই প্রেমের পরিণতি সুখকর হয়নি।
কোনো এক অপরাধে বালাকে কারাগারে যেতে হয়। এরপর বদলে যায় দুজনের জীবন। বালা যখন কারাগারে, তখন বিল্লোর জীবনও অন্যদিকে মোড় নেয়। পরবর্তী সময়ে তাকে আধ্যাত্মিক নেতা বা পীরের ভূমিকায় দেখা যায়।
বেশ কয়েক বছর পর কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে বালা ফিরে আসে সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপে। ট্রেলারে তাকে কঠোর ও অস্ত্র চালনায় দক্ষ চরিত্র হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। অন্যদিকে বিল্লোর মধ্যেও সাবেক প্রেমিকের প্রতি তৈরি হয়েছে তীব্র বিরূপতা। ফলে তাদের পুনর্মিলন পুরোনো প্রেমের গল্পে ফেরার বদলে নতুন সংঘাতের সূচনা করে।
প্রথম টিজারে দুই চরিত্রের সামাজিক ব্যবধানও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বিল্লোর চোখে বালার পারিবারিক পরিচয়ের প্রতি অবজ্ঞা যেমন দেখা যায়, তেমনি বালার মধ্যেও নিজের সামাজিক অবস্থান নিয়ে হীনমন্যতা ও ক্ষোভ ফুটে ওঠে। অর্থাৎ তাদের সম্পর্কের গল্পে প্রেমের পাশাপাশি শ্রেণিবৈষম্যও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
টিজারের শেষ মুহূর্তে আরও বড় চমক দেখা যায়। সেখানে বিল্লোকে বালার উদ্দেশে কঠোর হুমকি দিতে শোনা যায়। তার জীবন ধ্বংস হলে বালাকেও শান্তিতে থাকতে দেবেন না এমন ইঙ্গিতই পাওয়া যায় সেই সংলাপে। এতে পুরোনো প্রেম যে ক্ষোভ ও প্রতিশোধের রূপ নিয়েছে, তা স্পষ্ট হয়।
‘মিট্টি দে বাওয়ে’ লিখেছেন ফায়জা ইফতিখার এবং পরিচালনা করেছেন সৈয়দ ওয়াজাহাত হুসেইন। মাহিরা খান ও ওয়াহাজ আলীর পাশাপাশি নাটকটিতে অভিনয় করেছেন আদিতি রাও হায়দারি, জুনায়েদ খান, হিনা আফরিদি ও আমর খান।
মাহিরা খান ও ওয়াহাজ আলীর এটি প্রথম যৌথ টেলিভিশন প্রজেক্ট। ফলে শুরু থেকেই নাটকটি নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ ছিল। ট্রেলার প্রকাশের পর তাদের অভিনয় ও পর্দার রসায়ন নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।
তবে ‘মিট্টি দে বাওয়ে’ কবে প্রচারে আসবে, সেই তারিখ এখনো ঘোষণা করেনি গ্রিন এন্টারটেইনমেন্ট। আপাতত দর্শকদের জন্য নির্মাতাদের বার্তা ‘কামিং সুন’।
