জামালপুরের প্রথম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করে হত্যা ঘটনায় জামিনুর (৩২) ও সবুজা বেগম (২৫)কে গ্রেফতার করেছে মডেল থানা পুলিশ। তাদের জামালপুর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে রবিবার(১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২ টায় নিশ্চিত করেছেন মাদারগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ স্নেহাশীষ রায়।
স্থানীয় ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সিধুলী ইউনিয়নের ৪১ নং সিধুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী মরিয়ম প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার নিজবাড়ী চর লোটাবর থেকে সকালে বের হয়ে সাড়ে ৮ টার দিকে স্কুলে পৌঁছে । স্কুল খোলা না পেয়ে বারান্দায় বসে থাকে। স্কুল খোলার আগেই নিখোঁজ হয় প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী মরিয়ম। এরপর থেকে আত্মীয়-স্বজনের বাড়ীসহ অনেক খোঁজাখুঁজি করে ও না পাওয়ার ৩ দিন পর রবিবার রাত সাড়ে ১২ টায় ওই এলাকার জামিনুর এর বসত ঘরের মাটির নিচ থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহত মরিয়মের বাবা বাহাদুর মন্ডল বাদী হয়ে চর লোটাবর এলাকার আলতাফুর ছেলে জামিনুর (৩২) ও স্ত্রী সবুজা বেগম (২৫) এর উল্লেখ্য করে ২/৩ জন অজ্ঞাতনামা আসামী করে মাদারগঞ্জ মডেল থানায় মামলা দায়ের করে।
এ ব্যাপারে নিহত মরিয়মের মামা শামছুল হক জানান, আমার ভাগ্নি প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৮ টার মধ্যে স্কুলে যায় । বৃহস্পতিবারে গিয়ে স্কুল খোলা পায়নি স্থানীয় এক পথচারী বলেছে সিড়ির উপর বসে ছিল। এরপর থেকে তাকে আর পাওয়া যাচ্ছিল না। দুদিন পর আমাদের গোয়াল ঘরে অগ্নিকান্ডে ১ টি গরু ও ৪ টি ছাগল পুড়ে মারা গেল। ঠিক ৩ দিন পর চর লোটাবর এলাকার জামিনুর এর বসত ঘরের মাটির নিচ থেকে ভাগ্নির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। আমার ভাগ্নির হত্যাকারী'র ফাঁসি চাই।
নিহত মরিয়মের মা ববিতা বেগম জানান, মেয়েটা স্কুলে যাওয়ার পর আমার কেমন জানি ভালো লাগছিল না ৯ টার পর স্কুলে গিয়ে দেখি মেয়ে নাই। স্কুলের আশ পাশেও খোঁজ খবর নেওয়া হয় হারানোর ৩ দিন পর মেয়ের লাশ আমার শয্য হচ্ছে না। ঘাতক জামিনুরের ফাঁসি চাই।
প্রধান শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত শাহিনা আক্তার জানান আমি ৯ টার কয়েক মিনিট আগে স্কুলে আসি তখন মরিয়ম কে স্কুলে পায়নি। সকাল ৯ টার পর তার মা এসে বলে মরিয়ম কোথায় আমি বললাম স্কুলে তো আসেনি। নিখোঁজের ৩ দিন পর স্কুলের সামনে জামিনুর এর ঘরে মাটির নিচ থেকে মরিয়মের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় আমরা স্কুল কর্তৃপক্ষ মর্মাহত এবং মরিয়ম হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।
মাদারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ স্নেহাশীষ রায় বলেন, শিক্ষার্থী মরিয়মের মরদেহ ঘরের মাটির নিচ থেকে উদ্ধার করে জামালপুর মর্গে পাঠানো হয়েছে। শিশুটিকে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে বলে আসামী আদালতে স্বীকারোক্তি জবানবন্দি দিয়েছে। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে । বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জামালপুরের প্রথম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করে হত্যা ঘটনায় জামিনুর (৩২) ও সবুজা বেগম (২৫)কে গ্রেফতার করেছে মডেল থানা পুলিশ। তাদের জামালপুর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে রবিবার(১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২ টায় নিশ্চিত করেছেন মাদারগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ স্নেহাশীষ রায়।
স্থানীয় ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সিধুলী ইউনিয়নের ৪১ নং সিধুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী মরিয়ম প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার নিজবাড়ী চর লোটাবর থেকে সকালে বের হয়ে সাড়ে ৮ টার দিকে স্কুলে পৌঁছে । স্কুল খোলা না পেয়ে বারান্দায় বসে থাকে। স্কুল খোলার আগেই নিখোঁজ হয় প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী মরিয়ম। এরপর থেকে আত্মীয়-স্বজনের বাড়ীসহ অনেক খোঁজাখুঁজি করে ও না পাওয়ার ৩ দিন পর রবিবার রাত সাড়ে ১২ টায় ওই এলাকার জামিনুর এর বসত ঘরের মাটির নিচ থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহত মরিয়মের বাবা বাহাদুর মন্ডল বাদী হয়ে চর লোটাবর এলাকার আলতাফুর ছেলে জামিনুর (৩২) ও স্ত্রী সবুজা বেগম (২৫) এর উল্লেখ্য করে ২/৩ জন অজ্ঞাতনামা আসামী করে মাদারগঞ্জ মডেল থানায় মামলা দায়ের করে।
এ ব্যাপারে নিহত মরিয়মের মামা শামছুল হক জানান, আমার ভাগ্নি প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৮ টার মধ্যে স্কুলে যায় । বৃহস্পতিবারে গিয়ে স্কুল খোলা পায়নি স্থানীয় এক পথচারী বলেছে সিড়ির উপর বসে ছিল। এরপর থেকে তাকে আর পাওয়া যাচ্ছিল না। দুদিন পর আমাদের গোয়াল ঘরে অগ্নিকান্ডে ১ টি গরু ও ৪ টি ছাগল পুড়ে মারা গেল। ঠিক ৩ দিন পর চর লোটাবর এলাকার জামিনুর এর বসত ঘরের মাটির নিচ থেকে ভাগ্নির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। আমার ভাগ্নির হত্যাকারী'র ফাঁসি চাই।
নিহত মরিয়মের মা ববিতা বেগম জানান, মেয়েটা স্কুলে যাওয়ার পর আমার কেমন জানি ভালো লাগছিল না ৯ টার পর স্কুলে গিয়ে দেখি মেয়ে নাই। স্কুলের আশ পাশেও খোঁজ খবর নেওয়া হয় হারানোর ৩ দিন পর মেয়ের লাশ আমার শয্য হচ্ছে না। ঘাতক জামিনুরের ফাঁসি চাই।
প্রধান শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত শাহিনা আক্তার জানান আমি ৯ টার কয়েক মিনিট আগে স্কুলে আসি তখন মরিয়ম কে স্কুলে পায়নি। সকাল ৯ টার পর তার মা এসে বলে মরিয়ম কোথায় আমি বললাম স্কুলে তো আসেনি। নিখোঁজের ৩ দিন পর স্কুলের সামনে জামিনুর এর ঘরে মাটির নিচ থেকে মরিয়মের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় আমরা স্কুল কর্তৃপক্ষ মর্মাহত এবং মরিয়ম হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।
মাদারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ স্নেহাশীষ রায় বলেন, শিক্ষার্থী মরিয়মের মরদেহ ঘরের মাটির নিচ থেকে উদ্ধার করে জামালপুর মর্গে পাঠানো হয়েছে। শিশুটিকে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে বলে আসামী আদালতে স্বীকারোক্তি জবানবন্দি দিয়েছে। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে । বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
