কুড়িগ্রামের যাত্রাপুর হাটে জমে উঠেছে সোনালি আঁশ পাটের বেচাকেনা। সপ্তাহে দুই দিন—শনিবার ও মঙ্গলবার বসা এ হাটে পাট নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক ও ব্যবসায়ীরা। বিভিন্ন এলাকা থেকে কৃষকরা নৌকা ও অন্যান্য পরিবহনে পাট নিয়ে এসে হাটে বিক্রি করছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, হাটজুড়ে পাটের আঁটি নিয়ে আসা কৃষকদের পাশাপাশি ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদেরও ব্যাপক উপস্থিতি। দরদাম ও কেনাবেচায় মুখর হয়ে উঠেছে পুরো হাট। বিশেষ করে কুড়িগ্রামের বিভিন্ন চরাঞ্চলের মানুষ নৌকাযোগে পাটসহ নানা কৃষিপণ্য নিয়ে এই হাটে আসেন।
গরিব-দুঃখী ও মেহনতি মানুষের অন্যতম নির্ভরতার এই হাটে পাটের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের কৃষিপণ্যও বেচাকেনা হয়। তবে বর্তমানে হাটের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হয়ে উঠেছে পাট। কৃষকরা আশা করছেন, বাজারে পাটের ভালো দাম পেলে তারা উৎপাদন খরচের তুলনায় সন্তোষজনক লাভ করতে পারবেন।
পাট বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল। দেশের কৃষি অর্থনীতিতে পাটের রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। তাই পাটের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাজার ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন কৃষক ও সংশ্লিষ্টরা।
তাদের প্রত্যাশা, পাটের সঠিক মূল্য ও স্থিতিশীল বাজার নিশ্চিত করা গেলে কৃষকরা পাট চাষে আরও উৎসাহিত হবেন এবং সোনালি আঁশ দেশের অর্থনীতিতে আরও বড় অবদান রাখতে পারবে।

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কুড়িগ্রামের যাত্রাপুর হাটে জমে উঠেছে সোনালি আঁশ পাটের বেচাকেনা। সপ্তাহে দুই দিন—শনিবার ও মঙ্গলবার বসা এ হাটে পাট নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক ও ব্যবসায়ীরা। বিভিন্ন এলাকা থেকে কৃষকরা নৌকা ও অন্যান্য পরিবহনে পাট নিয়ে এসে হাটে বিক্রি করছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, হাটজুড়ে পাটের আঁটি নিয়ে আসা কৃষকদের পাশাপাশি ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদেরও ব্যাপক উপস্থিতি। দরদাম ও কেনাবেচায় মুখর হয়ে উঠেছে পুরো হাট। বিশেষ করে কুড়িগ্রামের বিভিন্ন চরাঞ্চলের মানুষ নৌকাযোগে পাটসহ নানা কৃষিপণ্য নিয়ে এই হাটে আসেন।
গরিব-দুঃখী ও মেহনতি মানুষের অন্যতম নির্ভরতার এই হাটে পাটের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের কৃষিপণ্যও বেচাকেনা হয়। তবে বর্তমানে হাটের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হয়ে উঠেছে পাট। কৃষকরা আশা করছেন, বাজারে পাটের ভালো দাম পেলে তারা উৎপাদন খরচের তুলনায় সন্তোষজনক লাভ করতে পারবেন।
পাট বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল। দেশের কৃষি অর্থনীতিতে পাটের রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। তাই পাটের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাজার ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন কৃষক ও সংশ্লিষ্টরা।
তাদের প্রত্যাশা, পাটের সঠিক মূল্য ও স্থিতিশীল বাজার নিশ্চিত করা গেলে কৃষকরা পাট চাষে আরও উৎসাহিত হবেন এবং সোনালি আঁশ দেশের অর্থনীতিতে আরও বড় অবদান রাখতে পারবে।
