কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার কচাকাটা এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৪২৭ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মুনতাসির মামুন মুন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কচাকাটা এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সন্দেহভাজন দুই যুবককে আটক করে তল্লাশি চালানো হলে তাদের কাছ থেকে ৪২৭ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
পরে উদ্ধার করা ইয়াবাসহ ওই দুই যুবককে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া এএসপি মুনতাসির মামুন মুনের নেতৃত্বে পুলিশের সদস্যরা মাদকবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক কারবারি ও মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি মাদক নির্মূলে স্থানীয়দের সহযোগিতাও কামনা করেছে পুলিশ।
স্থানীয়রা পুলিশের এমন মাদকবিরোধী অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের দাবি, সীমান্তবর্তী এই এলাকায় মাদকের বিস্তার রোধে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার কচাকাটা এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৪২৭ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মুনতাসির মামুন মুন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কচাকাটা এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সন্দেহভাজন দুই যুবককে আটক করে তল্লাশি চালানো হলে তাদের কাছ থেকে ৪২৭ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
পরে উদ্ধার করা ইয়াবাসহ ওই দুই যুবককে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া এএসপি মুনতাসির মামুন মুনের নেতৃত্বে পুলিশের সদস্যরা মাদকবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক কারবারি ও মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি মাদক নির্মূলে স্থানীয়দের সহযোগিতাও কামনা করেছে পুলিশ।
স্থানীয়রা পুলিশের এমন মাদকবিরোধী অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের দাবি, সীমান্তবর্তী এই এলাকায় মাদকের বিস্তার রোধে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা প্রয়োজন।
