চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩৩ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টা ৪৫ মিনিটের দিকে শিবগঞ্জ থানাধীন আলীডাঙ্গা তর্ত্তিপুর গ্রামের গিয়াস উদ্দিন প্রফেসরের আমবাগানের সামনে পাকা সড়কে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গ্রেফতাররা হলেন শিবগঞ্জের বাবুপুর একতামোড় এলাকার মো. আশরাফুল ইসলামের ছেলে মো. মকিম আলী (৩২) এবং নাচোল থানার জৌকা এলাকার শাম মোহাম্মদের ছেলে মো. আলামিন (২৭)।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জেলা পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাসের দিকনির্দেশনায় এবং শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) তত্ত্বাবধানে এসআই (নিরস্ত্র) হরেন্দ্রনাথ দেবদাস সঙ্গীয় কর্মকর্তা ও ফোর্সের সহায়তায় এ অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযানকালে সন্দেহভাজন দুই যুবককে আটক করে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় তাদের হেফাজত থেকে ৩৩ পিস কমলা রঙের ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
শিবগঞ্জ থানা পুলিশ জানায়, গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ আরও জানায়, মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধ এবং সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে জেলা পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩৩ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টা ৪৫ মিনিটের দিকে শিবগঞ্জ থানাধীন আলীডাঙ্গা তর্ত্তিপুর গ্রামের গিয়াস উদ্দিন প্রফেসরের আমবাগানের সামনে পাকা সড়কে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গ্রেফতাররা হলেন শিবগঞ্জের বাবুপুর একতামোড় এলাকার মো. আশরাফুল ইসলামের ছেলে মো. মকিম আলী (৩২) এবং নাচোল থানার জৌকা এলাকার শাম মোহাম্মদের ছেলে মো. আলামিন (২৭)।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জেলা পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাসের দিকনির্দেশনায় এবং শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) তত্ত্বাবধানে এসআই (নিরস্ত্র) হরেন্দ্রনাথ দেবদাস সঙ্গীয় কর্মকর্তা ও ফোর্সের সহায়তায় এ অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযানকালে সন্দেহভাজন দুই যুবককে আটক করে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় তাদের হেফাজত থেকে ৩৩ পিস কমলা রঙের ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
শিবগঞ্জ থানা পুলিশ জানায়, গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ আরও জানায়, মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধ এবং সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে জেলা পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।
