শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

ক্ষতি প্রায় ২ কোটি টাকা

ভুরুঙ্গামারীতে ভয়াবহ আগুনে ৯৫ দোকান পুড়ে ছাই

ভুরুঙ্গামারীতে ভয়াবহ আগুনে ৯৫ দোকান পুড়ে ছাই
ছবি: চেকপোস্ট

কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলা সদরের ফকিরহাটি মার্কেট ও আশপাশের এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৯৫টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রাথমিকভাবে প্রায় ২ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। এরপর মুহূর্তের মধ্যেই আগুন আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। কাপড়সহ দাহ্য পণ্যের কারণে আগুন দ্রুত ভয়াবহ রূপ নেয়।

খবর পেয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। তবে ভুরুঙ্গামারীতে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন না থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়ে। পরে নাগেশ্বরী উপজেলা থেকে ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে, তবে ততক্ষণে অধিকাংশ দোকান পুড়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্তদের বেশিরভাগই কাপড় ব্যবসায়ী। আগুনে দোকানের মালামাল, নগদ অর্থ, আসবাবপত্র ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়ে গেছে। এতে অনেক ব্যবসায়ী নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন।

ঘটনার পর স্থানীয় প্রশাসন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত করছে। আগুনের প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।

এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা দ্রুত সরকারি সহায়তা ও পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন।

#অগ্নিকাণ্ড #ভুরুঙ্গামারী #ফকিরহাটি_মার্কেট

চেকপোস্ট

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬


ভুরুঙ্গামারীতে ভয়াবহ আগুনে ৯৫ দোকান পুড়ে ছাই

প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬

featured Image

কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলা সদরের ফকিরহাটি মার্কেট ও আশপাশের এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৯৫টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রাথমিকভাবে প্রায় ২ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। এরপর মুহূর্তের মধ্যেই আগুন আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। কাপড়সহ দাহ্য পণ্যের কারণে আগুন দ্রুত ভয়াবহ রূপ নেয়।

খবর পেয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। তবে ভুরুঙ্গামারীতে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন না থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়ে। পরে নাগেশ্বরী উপজেলা থেকে ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে, তবে ততক্ষণে অধিকাংশ দোকান পুড়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্তদের বেশিরভাগই কাপড় ব্যবসায়ী। আগুনে দোকানের মালামাল, নগদ অর্থ, আসবাবপত্র ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়ে গেছে। এতে অনেক ব্যবসায়ী নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন।

ঘটনার পর স্থানীয় প্রশাসন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত করছে। আগুনের প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।

এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা দ্রুত সরকারি সহায়তা ও পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত