প্লাস্টিক বর্জ্য কমানো ও বৃক্ষরোপণে সচেতনতা বাড়াতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি ক্লাব। ব্যবহৃত প্লাস্টিকের বোতল জমা দিয়ে শিক্ষার্থীরা সংগ্রহ করছেন বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদী চত্বরে দুই দিনব্যাপী ‘গিভ অ্যান্ড টেক’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম। কর্মসূচিটি শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলবে।
এ উদ্যোগে ঔষধি, ফুল ও ফলসহ বিভিন্ন প্রজাতির চারা বিতরণ করা হচ্ছে। উপাচার্য বলেন, প্লাস্টিক পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। তাই প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানোর পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।
এক শিক্ষার্থী জানান, ব্যবহৃত প্লাস্টিক বোতল জমা দিয়ে গাছের চারা নেওয়ার উদ্যোগটি পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিজের হাতে গাছ লাগানোর সুযোগ তৈরি করছে।
ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি ক্লাবের সভাপতি আসিফ মাহমুদ বলেন, প্লাস্টিক ব্যবহারের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি এবং বৃক্ষের গুরুত্ব তুলে ধরাই এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। তিনি জানান, গত বছর ১৫ শতাধিক চারা বিতরণ করা হয়েছিল। এবার দুই হাজারের বেশি চারা বিতরণের লক্ষ্য রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্লাস্টিক বর্জ্য কমানো ও বৃক্ষরোপণে সচেতনতা বাড়াতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি ক্লাব। ব্যবহৃত প্লাস্টিকের বোতল জমা দিয়ে শিক্ষার্থীরা সংগ্রহ করছেন বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদী চত্বরে দুই দিনব্যাপী ‘গিভ অ্যান্ড টেক’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম। কর্মসূচিটি শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলবে।
এ উদ্যোগে ঔষধি, ফুল ও ফলসহ বিভিন্ন প্রজাতির চারা বিতরণ করা হচ্ছে। উপাচার্য বলেন, প্লাস্টিক পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। তাই প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানোর পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।
এক শিক্ষার্থী জানান, ব্যবহৃত প্লাস্টিক বোতল জমা দিয়ে গাছের চারা নেওয়ার উদ্যোগটি পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিজের হাতে গাছ লাগানোর সুযোগ তৈরি করছে।
ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি ক্লাবের সভাপতি আসিফ মাহমুদ বলেন, প্লাস্টিক ব্যবহারের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি এবং বৃক্ষের গুরুত্ব তুলে ধরাই এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। তিনি জানান, গত বছর ১৫ শতাধিক চারা বিতরণ করা হয়েছিল। এবার দুই হাজারের বেশি চারা বিতরণের লক্ষ্য রয়েছে।
