শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

আরও

জেনে নিন উপকার ও সতর্কতা

বেদানার বীজ খাবেন নাকি ফেলবেন? জানুন আসল তথ্য

বেদানার বীজ খাবেন নাকি ফেলবেন? জানুন আসল তথ্য
ছবি : টিভি৯ বাংলা

বেদানা খেতে ভালোবাসেন অনেকেই। তবে ফলটির বীজ চিবিয়ে খাবেন, নাকি ফেলে দেবেন এ নিয়ে অনেকেরই দ্বিধা থাকে। পুষ্টিগুণের দিক থেকে বেদানার বীজও খাবার হিসেবে উপকারী হতে পারে। এতে রয়েছে ফাইবার, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন ই এবং বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।

বেদানার বীজে থাকা ফাইবার হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করতে পারে। পাশাপাশি এতে ম্যাগনেসিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা শরীরের সামগ্রিক পুষ্টির চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখতে পারে।

এতে থাকা কিছু উপকারী যৌগ শরীরে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস ও প্রদাহের সঙ্গে সম্পর্কিত প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখতে পারে। বীজে থাকা পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটও খাদ্যতালিকায় স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের উৎস হিসেবে যুক্ত হতে পারে।

বেদানার বীজ ভালোভাবে চিবিয়ে খাওয়া যায়। তবে একসঙ্গে অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে কারও কারও পেটে অস্বস্তি বা হজমের সমস্যা হতে পারে। তাই পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই ভালো।

সালাদ, টক দই কিংবা বিভিন্ন খাবারের ওপর বেদানার দানা ছড়িয়ে খাওয়া যায়। এতে খাবারের স্বাদ ও বৈচিত্র্য দুটোই বাড়ে।

বেদানা কেনার সময় সাধারণত গাঢ় লাল বা রুবি রঙের ফল বেছে নেওয়া যায়। ফলের আকারের তুলনায় হাতে ভারী মনে হলে তাতে রসের পরিমাণ ভালো থাকার সম্ভাবনা থাকে।

কৃষিবিজ্ঞানীদের মতে, একেবারে নিখুঁত গোল আকৃতির পরিবর্তে সামান্য চ্যাপ্টা বা কোণাকৃতির ফলও ভালো ও রসালো হতে পারে।

আস্ত বেদানা ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় কিছুদিন রাখা যায়। ফ্রিজে রাখলে আরও দীর্ঘ সময় সতেজ রাখা সম্ভব। বেদানা ছাড়িয়ে বীজ আলাদা করে ফ্রিজারে সংরক্ষণ করাও যায়।

তবে ফল কেটে বা ছাড়িয়ে রাখার পর দ্রুত খেয়ে নেওয়া ভালো।

বেদানা কাটার সময় লাল রস ছিটকে কাপড়ে দাগ লাগতে পারে। এ সমস্যা এড়াতে পানির মধ্যে বেদানা ছাড়ানোর পদ্ধতি ব্যবহার করা যায়।

বড় একটি পাত্রে পানি নিয়ে তার মধ্যে বেদানা ভেঙে দানা আলাদা করলে রস ছিটকে পড়ার ঝুঁকি কমে। পানির মধ্যে দানা নিচে জমে থাকে, আর সাদা খোসার অংশগুলো ওপরে ভেসে ওঠে। পরে সহজেই সেগুলো আলাদা করা যায়।

তাই বেদানার বীজ নিয়ে অযথা দ্বিধায় না থেকে পরিমিত পরিমাণে চিবিয়ে খেতে পারেন। তবে ব্যক্তিভেদে খাবারে অসহিষ্ণুতা বা হজমের সমস্যা থাকলে সতর্ক থাকা উচিত।

Image

#স্বাস্থ্যতথ্য #বেদানারবীজ #বেদানারউপকারিতা

চেকপোস্ট

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


বেদানার বীজ খাবেন নাকি ফেলবেন? জানুন আসল তথ্য

প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

বেদানা খেতে ভালোবাসেন অনেকেই। তবে ফলটির বীজ চিবিয়ে খাবেন, নাকি ফেলে দেবেন এ নিয়ে অনেকেরই দ্বিধা থাকে। পুষ্টিগুণের দিক থেকে বেদানার বীজও খাবার হিসেবে উপকারী হতে পারে। এতে রয়েছে ফাইবার, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন ই এবং বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।

বেদানার বীজে থাকা ফাইবার হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করতে পারে। পাশাপাশি এতে ম্যাগনেসিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা শরীরের সামগ্রিক পুষ্টির চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখতে পারে।

এতে থাকা কিছু উপকারী যৌগ শরীরে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস ও প্রদাহের সঙ্গে সম্পর্কিত প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখতে পারে। বীজে থাকা পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটও খাদ্যতালিকায় স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের উৎস হিসেবে যুক্ত হতে পারে।

বেদানার বীজ ভালোভাবে চিবিয়ে খাওয়া যায়। তবে একসঙ্গে অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে কারও কারও পেটে অস্বস্তি বা হজমের সমস্যা হতে পারে। তাই পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই ভালো।

সালাদ, টক দই কিংবা বিভিন্ন খাবারের ওপর বেদানার দানা ছড়িয়ে খাওয়া যায়। এতে খাবারের স্বাদ ও বৈচিত্র্য দুটোই বাড়ে।

বেদানা কেনার সময় সাধারণত গাঢ় লাল বা রুবি রঙের ফল বেছে নেওয়া যায়। ফলের আকারের তুলনায় হাতে ভারী মনে হলে তাতে রসের পরিমাণ ভালো থাকার সম্ভাবনা থাকে।

কৃষিবিজ্ঞানীদের মতে, একেবারে নিখুঁত গোল আকৃতির পরিবর্তে সামান্য চ্যাপ্টা বা কোণাকৃতির ফলও ভালো ও রসালো হতে পারে।

আস্ত বেদানা ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় কিছুদিন রাখা যায়। ফ্রিজে রাখলে আরও দীর্ঘ সময় সতেজ রাখা সম্ভব। বেদানা ছাড়িয়ে বীজ আলাদা করে ফ্রিজারে সংরক্ষণ করাও যায়।

তবে ফল কেটে বা ছাড়িয়ে রাখার পর দ্রুত খেয়ে নেওয়া ভালো।

বেদানা কাটার সময় লাল রস ছিটকে কাপড়ে দাগ লাগতে পারে। এ সমস্যা এড়াতে পানির মধ্যে বেদানা ছাড়ানোর পদ্ধতি ব্যবহার করা যায়।

বড় একটি পাত্রে পানি নিয়ে তার মধ্যে বেদানা ভেঙে দানা আলাদা করলে রস ছিটকে পড়ার ঝুঁকি কমে। পানির মধ্যে দানা নিচে জমে থাকে, আর সাদা খোসার অংশগুলো ওপরে ভেসে ওঠে। পরে সহজেই সেগুলো আলাদা করা যায়।

তাই বেদানার বীজ নিয়ে অযথা দ্বিধায় না থেকে পরিমিত পরিমাণে চিবিয়ে খেতে পারেন। তবে ব্যক্তিভেদে খাবারে অসহিষ্ণুতা বা হজমের সমস্যা থাকলে সতর্ক থাকা উচিত।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত