বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় এক বিধবা নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ আমলে নিয়ে সোনাতলা থানাকে নিয়মিত মামলা হিসেবে রেকর্ড করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (২২ জুলাই) বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ মামলাটি করেন ভুক্তভোগী নারী। বিচারক আনোয়ারুল ইসলাম বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দেন।
মামলার আসামিরা হলেন সোনাতলা উপজেলার সাতবেকী গ্রামের সাদিক বেপারী (২৫), একই গ্রামের ঋাতু মিয়া (২৩) এবং হাঁসরাজ গ্রামের হিরু মিয়া (৩০)।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, স্বামীর মৃত্যুর পর দুই সন্তানকে নিয়ে বগুড়া সদরে বসবাস করতেন ওই নারী। এ সময় সাদিক বেপারীর সঙ্গে তার পরিচয় হয় এবং বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়। পরে মোবাইল ফোন ও ইমোর মাধ্যমে যোগাযোগের একপর্যায়ে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে গিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ১৬ জুলাই বিয়ের কথা বলে ওই নারীকে সোনাতলার চরপাড়া বাসস্ট্যান্ডে ডেকে নেওয়া হয়। পরে অপর দুই আসামির সহযোগিতায় তাকে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। পরে অসুস্থ অবস্থায় ভুক্তভোগীকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। থানায় মামলা করতে গেলে তা গ্রহণ না করায় আদালতের শরণাপন্ন হন বলে অভিযোগে জানানো হয়েছে।
বাদীপক্ষের আইনজীবী নাহিদ পারভেজ জনি জানান, আদালত অভিযোগ গ্রহণ করে থানাকে মামলা রেকর্ডের নির্দেশ দিয়েছেন।
সোনাতলা থানার ওসি কবির হোসেন জানান, আদালতের নির্দেশনা এখনো থানায় পৌঁছায়নি। নির্দেশনা হাতে পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় এক বিধবা নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ আমলে নিয়ে সোনাতলা থানাকে নিয়মিত মামলা হিসেবে রেকর্ড করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (২২ জুলাই) বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ মামলাটি করেন ভুক্তভোগী নারী। বিচারক আনোয়ারুল ইসলাম বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দেন।
মামলার আসামিরা হলেন সোনাতলা উপজেলার সাতবেকী গ্রামের সাদিক বেপারী (২৫), একই গ্রামের ঋাতু মিয়া (২৩) এবং হাঁসরাজ গ্রামের হিরু মিয়া (৩০)।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, স্বামীর মৃত্যুর পর দুই সন্তানকে নিয়ে বগুড়া সদরে বসবাস করতেন ওই নারী। এ সময় সাদিক বেপারীর সঙ্গে তার পরিচয় হয় এবং বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়। পরে মোবাইল ফোন ও ইমোর মাধ্যমে যোগাযোগের একপর্যায়ে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে গিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ১৬ জুলাই বিয়ের কথা বলে ওই নারীকে সোনাতলার চরপাড়া বাসস্ট্যান্ডে ডেকে নেওয়া হয়। পরে অপর দুই আসামির সহযোগিতায় তাকে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। পরে অসুস্থ অবস্থায় ভুক্তভোগীকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। থানায় মামলা করতে গেলে তা গ্রহণ না করায় আদালতের শরণাপন্ন হন বলে অভিযোগে জানানো হয়েছে।
বাদীপক্ষের আইনজীবী নাহিদ পারভেজ জনি জানান, আদালত অভিযোগ গ্রহণ করে থানাকে মামলা রেকর্ডের নির্দেশ দিয়েছেন।
সোনাতলা থানার ওসি কবির হোসেন জানান, আদালতের নির্দেশনা এখনো থানায় পৌঁছায়নি। নির্দেশনা হাতে পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
