বিশ্ব সাপ দিবস উপলক্ষেই মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ৫ নম্বর পুল উত্তর ভাড়াউড়া এলাকায় একটি অজগর সাপ উদ্ধার করে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি করেছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই ২০২৬) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উত্তর ভাড়াউড়া এলাকার বাসিন্দা যোবায়ের আহমেদের বাড়িতে পরিবারের সদস্যরা অজগর সাপটি দেখতে পান।
স্থানীয়রা জানান, কয়েকদিন ধরে বাড়ির হাঁস ও মুরগির বাচ্চা রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হচ্ছিল। বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ির দেয়ালের ওপর দিয়ে পাশের একটি গাছের দিকে অজগরটিকে যেতে দেখে তাদের সন্দেহ হয়, নিখোঁজ হওয়া হাঁস-মুরগির বাচ্চাগুলো সম্ভবত সাপটির শিকার হয়েছে।
খবর পেয়ে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন-এর পরিচালক স্বপন দেব সজল, পরিবেশকর্মী রাজদীপ দেব দীপ এবং রিদন গৌড় ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিরাপদে অজগর সাপটি উদ্ধার করেন।
উদ্ধারের পর সাপটিকে শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়। বন বিভাগ ও উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা জানান, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং বন বিভাগের সহযোগিতায় উদ্ধার ও নিরাপদ অবমুক্তকরণের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
বিশ্ব সাপ দিবসে এই উদ্ধার অভিযান বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধির একটি ইতিবাচক উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, বন্যপ্রাণী দেখলে আতঙ্কিত না হয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা প্রশিক্ষিত উদ্ধারকারী দলের সঙ্গে যোগাযোগ করাই নিরাপদ ও দায়িত্বশীল পদক্ষেপ।

বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬
বিশ্ব সাপ দিবস উপলক্ষেই মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ৫ নম্বর পুল উত্তর ভাড়াউড়া এলাকায় একটি অজগর সাপ উদ্ধার করে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি করেছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই ২০২৬) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উত্তর ভাড়াউড়া এলাকার বাসিন্দা যোবায়ের আহমেদের বাড়িতে পরিবারের সদস্যরা অজগর সাপটি দেখতে পান।
স্থানীয়রা জানান, কয়েকদিন ধরে বাড়ির হাঁস ও মুরগির বাচ্চা রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হচ্ছিল। বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ির দেয়ালের ওপর দিয়ে পাশের একটি গাছের দিকে অজগরটিকে যেতে দেখে তাদের সন্দেহ হয়, নিখোঁজ হওয়া হাঁস-মুরগির বাচ্চাগুলো সম্ভবত সাপটির শিকার হয়েছে।
খবর পেয়ে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন-এর পরিচালক স্বপন দেব সজল, পরিবেশকর্মী রাজদীপ দেব দীপ এবং রিদন গৌড় ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিরাপদে অজগর সাপটি উদ্ধার করেন।
উদ্ধারের পর সাপটিকে শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়। বন বিভাগ ও উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা জানান, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং বন বিভাগের সহযোগিতায় উদ্ধার ও নিরাপদ অবমুক্তকরণের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
বিশ্ব সাপ দিবসে এই উদ্ধার অভিযান বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধির একটি ইতিবাচক উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, বন্যপ্রাণী দেখলে আতঙ্কিত না হয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা প্রশিক্ষিত উদ্ধারকারী দলের সঙ্গে যোগাযোগ করাই নিরাপদ ও দায়িত্বশীল পদক্ষেপ।
