হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংকট নিয়ে প্রতিবাদকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের গ্রেপ্তার ও রিমান্ডের সমালোচনা করেছেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম। শুক্রবার (২ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে তিনি বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপনা ও প্রবাসীদের ভোগান্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
সাদিক কায়েম বলেন, প্রবাসীরা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন এবং তাদের ভোগান্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলা নাগরিকদের অধিকার। তাঁর বক্তব্যের কেন্দ্রবিন্দু ছিল বিমানবন্দরের লাগেজ ও ট্রলি ব্যবস্থাপনা।
তিনি প্রশ্ন করেন, ‘যে সরকার একটা বিমানবন্দরে ল্যাগেজ ও ট্রলি ম্যানেজমেন্ট করতে পারে না, সেই সরকার ৫ বছর ঠিকঠাক রাষ্ট্র চালাবে কীভাবে?’—এটি তাঁর রাজনৈতিক বক্তব্য ও প্রশ্ন হিসেবে উদ্ধৃত হয়েছে।
এদিকে বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংকটকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা এবং এক নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে করা মামলায় মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে আরও কিছু অভিযোগ আনা হয়েছে, যেগুলো তদন্তাধীন।
শনিবার (৩ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর শুনানি শেষে আখতারুজ্জামানের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে পুলিশ পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিল।
সাদিক কায়েম তাঁর পোস্টে বিএনপি সরকারের প্রবাসী নীতি ও বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপনা নিয়েও সমালোচনা করেন। তিনি দাবি করেন, প্রবাসীদের ভোগান্তি নিয়ে কথা বলার কারণে একজন সিনিয়র নাগরিক ও মুক্তিযোদ্ধাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তবে এসব মন্তব্য সাদিক কায়েমের রাজনৈতিক বক্তব্য। অন্যদিকে আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে করা মামলায় পুলিশ যে অভিযোগগুলো করেছে, সেগুলোর সত্যতা বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংকট নিয়ে প্রতিবাদকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের গ্রেপ্তার ও রিমান্ডের সমালোচনা করেছেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম। শুক্রবার (২ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে তিনি বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপনা ও প্রবাসীদের ভোগান্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
সাদিক কায়েম বলেন, প্রবাসীরা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন এবং তাদের ভোগান্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলা নাগরিকদের অধিকার। তাঁর বক্তব্যের কেন্দ্রবিন্দু ছিল বিমানবন্দরের লাগেজ ও ট্রলি ব্যবস্থাপনা।
তিনি প্রশ্ন করেন, ‘যে সরকার একটা বিমানবন্দরে ল্যাগেজ ও ট্রলি ম্যানেজমেন্ট করতে পারে না, সেই সরকার ৫ বছর ঠিকঠাক রাষ্ট্র চালাবে কীভাবে?’—এটি তাঁর রাজনৈতিক বক্তব্য ও প্রশ্ন হিসেবে উদ্ধৃত হয়েছে।
এদিকে বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংকটকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা এবং এক নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে করা মামলায় মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে আরও কিছু অভিযোগ আনা হয়েছে, যেগুলো তদন্তাধীন।
শনিবার (৩ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর শুনানি শেষে আখতারুজ্জামানের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে পুলিশ পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিল।
সাদিক কায়েম তাঁর পোস্টে বিএনপি সরকারের প্রবাসী নীতি ও বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপনা নিয়েও সমালোচনা করেন। তিনি দাবি করেন, প্রবাসীদের ভোগান্তি নিয়ে কথা বলার কারণে একজন সিনিয়র নাগরিক ও মুক্তিযোদ্ধাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তবে এসব মন্তব্য সাদিক কায়েমের রাজনৈতিক বক্তব্য। অন্যদিকে আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে করা মামলায় পুলিশ যে অভিযোগগুলো করেছে, সেগুলোর সত্যতা বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।
