বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় চিরকুট রেখে এক স্কুলছাত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (৫ জুলাই) সকালে উপজেলার জোড়গাছা ইউনিয়নের শিচারপাড়া গুচ্ছগ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রাজিয়া সুলতানা (১৬) শিচারপাড়া গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দা রিকশাচালক মো. আবু সাঈদ খন্দকার ও মোছা. নাজমা বেগমের মেয়ে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রাজিয়ার মা ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত এবং বাবা ঢাকায় অটোরিকশা চালান। বাবা-মা কর্মস্থলে থাকায় তিনি গ্রামের বাড়িতে দাদি মোছা. আছিয়া বেগমের সঙ্গে বসবাস করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে পরিবারের সদস্যরা রাজিয়াকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে সোনাতলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি পরিদর্শন করে। ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুটও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
সোনাতলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কবির হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শনের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়। তাই তদন্তের ফলাফলের আগে এ বিষয়ে কোনো ধরনের অনুমান বা গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬
বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় চিরকুট রেখে এক স্কুলছাত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (৫ জুলাই) সকালে উপজেলার জোড়গাছা ইউনিয়নের শিচারপাড়া গুচ্ছগ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রাজিয়া সুলতানা (১৬) শিচারপাড়া গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দা রিকশাচালক মো. আবু সাঈদ খন্দকার ও মোছা. নাজমা বেগমের মেয়ে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রাজিয়ার মা ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত এবং বাবা ঢাকায় অটোরিকশা চালান। বাবা-মা কর্মস্থলে থাকায় তিনি গ্রামের বাড়িতে দাদি মোছা. আছিয়া বেগমের সঙ্গে বসবাস করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে পরিবারের সদস্যরা রাজিয়াকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে সোনাতলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি পরিদর্শন করে। ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুটও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
সোনাতলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কবির হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শনের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়। তাই তদন্তের ফলাফলের আগে এ বিষয়ে কোনো ধরনের অনুমান বা গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
