জ্বর, সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা ও শরীর ব্যথায় ফ্লু হলে কয়েক দিন শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। এ সময় খাবারে অনীহা দেখা দিলেও সঠিক খাবার শরীরকে সংক্রমণের সঙ্গে লড়াই করতে সাহায্য করতে পারে।
ফ্লু সারানোর কোনো নির্দিষ্ট খাবার নেই, তবে পর্যাপ্ত পানি, তরল পানীয় ও সহজপাচ্য পুষ্টিকর খাবার শরীরকে শক্তি জোগায়। অন্যদিকে কিছু খাবার হজমে সমস্যা তৈরি করে অস্বস্তি বাড়াতে পারে।
পুরি, পরোটা, ফ্রাই বা অতিরিক্ত তেলযুক্ত ফাস্টফুড ফ্লুর সময় এড়িয়ে চলা ভালো। এসব খাবার হজমে বেশি সময় নেয় এবং পেটের অস্বস্তি বাড়াতে পারে।
এর বদলে পাতলা খিচুড়ি, স্যুপ, হালকা ডাল বা নরম ভাত খেতে পারেন।
ফ্লুর সময় জ্বর, ঘাম, বমি বা ডায়রিয়ার কারণে শরীরে পানিশূন্যতা তৈরি হতে পারে। অ্যালকোহল এ অবস্থায় শরীরের তরল ভারসাম্য আরও খারাপ করতে পারে।
এ সময় পানি, ডাবের পানি বা প্রয়োজন অনুযায়ী খাবার স্যালাইন বেশি উপকারী।
ক্লান্তি কমাতে অনেকে বেশি চা-কফি পান করেন। তবে অতিরিক্ত ক্যাফেইন শরীরের পানির ভারসাম্যে প্রভাব ফেলতে পারে।
এক কাপ চা বা কফি সমস্যা না হলেও অতিরিক্ত পান করা এড়িয়ে চলাই ভালো।
ঝাল খাবার কখনো কখনো নাক বন্ধভাব কমানোর অনুভূতি দিতে পারে। তবে গলা ব্যথা, কাশি বা পেটের অস্বস্তি থাকলে অতিরিক্ত ঝাল সমস্যা বাড়াতে পারে।
ফ্লুর সময় হালকা মসলাযুক্ত খাবার বেছে নেওয়া ভালো।
প্যাকেটজাত ফলের রস, কোমল পানীয় বা বেশি চিনি থাকা পানীয় শরীরের জন্য ভালো নয়। এগুলোর বদলে পানি, স্যুপ, ডাবের পানি বা তাজা ফল খাওয়া ভালো।
ফ্লু হলে ক্ষুধা কমে যাওয়া স্বাভাবিক। তাই একবারে বেশি খাবার না খেয়ে অল্প অল্প করে কয়েকবার খাওয়া ভালো।
নরম খিচুড়ি, ডালিয়া, স্যুপ, ডিম বা সহজপাচ্য খাবার শরীরের জন্য উপযোগী।
ফ্লুর সময় শরীরের জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত তরল ও পুষ্টি। খেতে পারেন—
দুধ বা দই খেলেই কফ বেড়ে যায় এমন ধারণার পক্ষে শক্ত প্রমাণ নেই। কারও অস্বস্তি না হলে এগুলো পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
ফ্লুর সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো শরীরে পানির ঘাটতি পূরণ করা। জ্বর, ঘাম, বমি বা ডায়রিয়ার কারণে শরীর থেকে পানি ও লবণ কমে যেতে পারে।
একবারে বেশি পানি পান করতে না পারলে অল্প অল্প করে বারবার পানি পান করুন।
ফ্লু হলে সঠিক খাবার দ্রুত রোগ সারিয়ে দেয় না, তবে শরীরকে দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে। তাই ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত ঝাল, অ্যালকোহল, বেশি ক্যাফেইন ও ভারী খাবার এড়িয়ে সহজপাচ্য খাবার ও পর্যাপ্ত বিশ্রামের দিকে নজর দিন।
উপসর্গ বেশি হলে, কয়েক দিনেও জ্বর না কমলে, শ্বাসকষ্ট বা পানিশূন্যতার লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
জ্বর, সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা ও শরীর ব্যথায় ফ্লু হলে কয়েক দিন শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। এ সময় খাবারে অনীহা দেখা দিলেও সঠিক খাবার শরীরকে সংক্রমণের সঙ্গে লড়াই করতে সাহায্য করতে পারে।
ফ্লু সারানোর কোনো নির্দিষ্ট খাবার নেই, তবে পর্যাপ্ত পানি, তরল পানীয় ও সহজপাচ্য পুষ্টিকর খাবার শরীরকে শক্তি জোগায়। অন্যদিকে কিছু খাবার হজমে সমস্যা তৈরি করে অস্বস্তি বাড়াতে পারে।
পুরি, পরোটা, ফ্রাই বা অতিরিক্ত তেলযুক্ত ফাস্টফুড ফ্লুর সময় এড়িয়ে চলা ভালো। এসব খাবার হজমে বেশি সময় নেয় এবং পেটের অস্বস্তি বাড়াতে পারে।
এর বদলে পাতলা খিচুড়ি, স্যুপ, হালকা ডাল বা নরম ভাত খেতে পারেন।
ফ্লুর সময় জ্বর, ঘাম, বমি বা ডায়রিয়ার কারণে শরীরে পানিশূন্যতা তৈরি হতে পারে। অ্যালকোহল এ অবস্থায় শরীরের তরল ভারসাম্য আরও খারাপ করতে পারে।
এ সময় পানি, ডাবের পানি বা প্রয়োজন অনুযায়ী খাবার স্যালাইন বেশি উপকারী।
ক্লান্তি কমাতে অনেকে বেশি চা-কফি পান করেন। তবে অতিরিক্ত ক্যাফেইন শরীরের পানির ভারসাম্যে প্রভাব ফেলতে পারে।
এক কাপ চা বা কফি সমস্যা না হলেও অতিরিক্ত পান করা এড়িয়ে চলাই ভালো।
ঝাল খাবার কখনো কখনো নাক বন্ধভাব কমানোর অনুভূতি দিতে পারে। তবে গলা ব্যথা, কাশি বা পেটের অস্বস্তি থাকলে অতিরিক্ত ঝাল সমস্যা বাড়াতে পারে।
ফ্লুর সময় হালকা মসলাযুক্ত খাবার বেছে নেওয়া ভালো।
প্যাকেটজাত ফলের রস, কোমল পানীয় বা বেশি চিনি থাকা পানীয় শরীরের জন্য ভালো নয়। এগুলোর বদলে পানি, স্যুপ, ডাবের পানি বা তাজা ফল খাওয়া ভালো।
ফ্লু হলে ক্ষুধা কমে যাওয়া স্বাভাবিক। তাই একবারে বেশি খাবার না খেয়ে অল্প অল্প করে কয়েকবার খাওয়া ভালো।
নরম খিচুড়ি, ডালিয়া, স্যুপ, ডিম বা সহজপাচ্য খাবার শরীরের জন্য উপযোগী।
ফ্লুর সময় শরীরের জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত তরল ও পুষ্টি। খেতে পারেন—
দুধ বা দই খেলেই কফ বেড়ে যায় এমন ধারণার পক্ষে শক্ত প্রমাণ নেই। কারও অস্বস্তি না হলে এগুলো পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
ফ্লুর সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো শরীরে পানির ঘাটতি পূরণ করা। জ্বর, ঘাম, বমি বা ডায়রিয়ার কারণে শরীর থেকে পানি ও লবণ কমে যেতে পারে।
একবারে বেশি পানি পান করতে না পারলে অল্প অল্প করে বারবার পানি পান করুন।
ফ্লু হলে সঠিক খাবার দ্রুত রোগ সারিয়ে দেয় না, তবে শরীরকে দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে। তাই ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত ঝাল, অ্যালকোহল, বেশি ক্যাফেইন ও ভারী খাবার এড়িয়ে সহজপাচ্য খাবার ও পর্যাপ্ত বিশ্রামের দিকে নজর দিন।
উপসর্গ বেশি হলে, কয়েক দিনেও জ্বর না কমলে, শ্বাসকষ্ট বা পানিশূন্যতার লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
