সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান-এর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে জাতীয় সংসদে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদ-এর অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবে অংশ নিয়ে তিনি বলেন, “মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কেউ জামায়াতে ইসলামী করতে পারে না।”
তার এই বক্তব্যের পরপরই বিরোধীদলীয় সদস্যরা হট্টগোল শুরু করেন এবং সংসদে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি শান্ত করেন।
হট্টগোলের মধ্যেই ফজলুর রহমান তার বক্তব্য পুনরায় উল্লেখ করে বলেন, “শহীদ পরিবারের কেউ জামায়াত করতে পারে না। যদি কেউ করে, তাহলে তিনি দ্বিগুণ অপরাধ করছেন।”
এ সময় তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থানকে তুলনা করলে মুক্তিযুদ্ধকে ছোট করা হয়।
তার বক্তব্যের জবাবে বিরোধীদলীয় নেতা ফ্লোর নিয়ে বক্তব্য দেন এবং ফজলুর রহমানের বক্তব্য সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার (এক্সপাঞ্জ) দাবি জানান।
এ ঘটনায় সংসদে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ে এবং কিছু সময়ের জন্য অধিবেশনের পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান-এর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে জাতীয় সংসদে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদ-এর অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবে অংশ নিয়ে তিনি বলেন, “মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কেউ জামায়াতে ইসলামী করতে পারে না।”
তার এই বক্তব্যের পরপরই বিরোধীদলীয় সদস্যরা হট্টগোল শুরু করেন এবং সংসদে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি শান্ত করেন।
হট্টগোলের মধ্যেই ফজলুর রহমান তার বক্তব্য পুনরায় উল্লেখ করে বলেন, “শহীদ পরিবারের কেউ জামায়াত করতে পারে না। যদি কেউ করে, তাহলে তিনি দ্বিগুণ অপরাধ করছেন।”
এ সময় তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থানকে তুলনা করলে মুক্তিযুদ্ধকে ছোট করা হয়।
তার বক্তব্যের জবাবে বিরোধীদলীয় নেতা ফ্লোর নিয়ে বক্তব্য দেন এবং ফজলুর রহমানের বক্তব্য সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার (এক্সপাঞ্জ) দাবি জানান।
এ ঘটনায় সংসদে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ে এবং কিছু সময়ের জন্য অধিবেশনের পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
