জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে তিনি এ দাবি জানান। পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার অভিযোগের প্রতিবাদে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মোনায়েম মুন্না বলেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, ১১ দলের দাবি মেনে নিলে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটবে না। এ বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি দাবি করেন, ককটেল বিস্ফোরণের সঙ্গে পাটওয়ারীর সম্পৃক্ততা রয়েছে। এ কারণে তাকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি। তবে পাটওয়ারীর বক্তব্যের অর্থ নিয়ে রাজনৈতিক পক্ষগুলোর মধ্যে ভিন্ন ব্যাখ্যা রয়েছে।
যারা পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছেন, জনগণ তাদের চিনে ফেলেছে বলেও দাবি করেন যুবদল সভাপতি।
ইসলামি দলগুলোর প্রসঙ্গে মোনায়েম মুন্না ‘মরিয়ম’ নামে এক নারীকে ঘিরে ঘটে যাওয়া ঘটনার নিন্দা জানান এবং এ ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন। একই সঙ্গে তিনি ওই রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা নিয়ে নানা অভিযোগ তোলেন।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মারের বিরুদ্ধেও অভিযোগ তোলেন যুবদল সভাপতি। জাতীয় সম্পদ ধ্বংসের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে তাকে আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান তিনি।
মোনায়েম মুন্না আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জনগণ দায়িত্ব দিয়েছে এবং তার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তাকে শক্তিশালী করতে সবাইকে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
সমাবেশে যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম নয়ন বলেন, যুবদলকে ভয় দেখিয়ে কোনো লাভ হবে না। ককটেলের ভয় দেখিয়েও যুবদলের নেতাকর্মীদের দমিয়ে রাখা যাবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে উদ্দেশ করে নয়ন আরও বলেন, ‘পাকিস্তানিদের সঙ্গে জোট বেঁধেছেন। যুবদল সৈনিক প্রস্তুত।’

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে তিনি এ দাবি জানান। পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার অভিযোগের প্রতিবাদে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মোনায়েম মুন্না বলেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, ১১ দলের দাবি মেনে নিলে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটবে না। এ বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি দাবি করেন, ককটেল বিস্ফোরণের সঙ্গে পাটওয়ারীর সম্পৃক্ততা রয়েছে। এ কারণে তাকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি। তবে পাটওয়ারীর বক্তব্যের অর্থ নিয়ে রাজনৈতিক পক্ষগুলোর মধ্যে ভিন্ন ব্যাখ্যা রয়েছে।
যারা পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছেন, জনগণ তাদের চিনে ফেলেছে বলেও দাবি করেন যুবদল সভাপতি।
ইসলামি দলগুলোর প্রসঙ্গে মোনায়েম মুন্না ‘মরিয়ম’ নামে এক নারীকে ঘিরে ঘটে যাওয়া ঘটনার নিন্দা জানান এবং এ ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন। একই সঙ্গে তিনি ওই রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা নিয়ে নানা অভিযোগ তোলেন।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মারের বিরুদ্ধেও অভিযোগ তোলেন যুবদল সভাপতি। জাতীয় সম্পদ ধ্বংসের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে তাকে আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান তিনি।
মোনায়েম মুন্না আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জনগণ দায়িত্ব দিয়েছে এবং তার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তাকে শক্তিশালী করতে সবাইকে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
সমাবেশে যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম নয়ন বলেন, যুবদলকে ভয় দেখিয়ে কোনো লাভ হবে না। ককটেলের ভয় দেখিয়েও যুবদলের নেতাকর্মীদের দমিয়ে রাখা যাবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে উদ্দেশ করে নয়ন আরও বলেন, ‘পাকিস্তানিদের সঙ্গে জোট বেঁধেছেন। যুবদল সৈনিক প্রস্তুত।’
