ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে মোবাইলে লুডু খেলা নিয়ে বিরোধের জেরে মারামারিতে রফিক মিয়া (৪০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, প্রতিপক্ষের হামলায় তিনি মারা গেছেন।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার গুনিয়াউক ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েকজন যুবক মোবাইলে লুডু খেলছিলেন। খেলা দেখতে পাশে বসেছিলেন রফিক মিয়া, সালমানসহ কয়েকজন। একপর্যায়ে লুডু খেলায় ভুল ধরিয়ে দেওয়াকে কেন্দ্র করে রফিক ও সালমানের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। পরে তা হাতাহাতি ও মারামারিতে রূপ নেয়।
এ সময় কিল-ঘুষি ও লাথিতে রফিক মিয়া গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে তার স্বজনরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে নাসিরনগর উপজেলা ৫০ শয্যাবিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. তামিমা রহমান তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, ওই এলাকায় প্রতিদিনই যুবকেরা বসে খেলাধুলা করতেন। এ নিয়ে আগে কোনো আপত্তির কথা জানা যায়নি।
ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহিনুল ইসলাম জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নাসিরনগর থানা হেফাজত থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি বলেন, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে মোবাইলে লুডু খেলা নিয়ে বিরোধের জেরে মারামারিতে রফিক মিয়া (৪০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, প্রতিপক্ষের হামলায় তিনি মারা গেছেন।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার গুনিয়াউক ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েকজন যুবক মোবাইলে লুডু খেলছিলেন। খেলা দেখতে পাশে বসেছিলেন রফিক মিয়া, সালমানসহ কয়েকজন। একপর্যায়ে লুডু খেলায় ভুল ধরিয়ে দেওয়াকে কেন্দ্র করে রফিক ও সালমানের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। পরে তা হাতাহাতি ও মারামারিতে রূপ নেয়।
এ সময় কিল-ঘুষি ও লাথিতে রফিক মিয়া গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে তার স্বজনরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে নাসিরনগর উপজেলা ৫০ শয্যাবিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. তামিমা রহমান তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, ওই এলাকায় প্রতিদিনই যুবকেরা বসে খেলাধুলা করতেন। এ নিয়ে আগে কোনো আপত্তির কথা জানা যায়নি।
ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহিনুল ইসলাম জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নাসিরনগর থানা হেফাজত থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি বলেন, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
