চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার নেজামপুর বাজারে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ সার মজুদের দায়ে এক ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
নেজামপুর বাজারে মেসার্স ইউসুফ ট্রেডার্সে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করা হয়। নাচোল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রিয়াংকা দাস ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সলেহ আকরাম উপস্থিত ছিলেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানটিতে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে বিপুল পরিমাণ সার মজুদ করা হয়েছিল। এ অপরাধে প্রতিষ্ঠানটির মালিককে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ইউএনও প্রিয়াংকা দাস জানান, এটি ওই ব্যবসায়ীর প্রথমবারের অনিয়ম হওয়ায় জরিমানার পাশাপাশি তাকে সতর্ক করা হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রি এবং অবৈধভাবে সার মজুদ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে একই ধরনের অনিয়ম করলে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীর লাইসেন্স বাতিলসহ কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কৃষি উপকরণের বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এদিকে স্থানীয় কয়েকজন কৃষক ওই ব্যবসায়ীর লাইসেন্স বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, ব্যবসায়ীটি দীর্ঘদিন ধরে সার কালোবাজারি ও ভেজাল কীটনাশক বিক্রি করে আসছেন। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার নেজামপুর বাজারে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ সার মজুদের দায়ে এক ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
নেজামপুর বাজারে মেসার্স ইউসুফ ট্রেডার্সে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করা হয়। নাচোল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রিয়াংকা দাস ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সলেহ আকরাম উপস্থিত ছিলেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানটিতে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে বিপুল পরিমাণ সার মজুদ করা হয়েছিল। এ অপরাধে প্রতিষ্ঠানটির মালিককে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ইউএনও প্রিয়াংকা দাস জানান, এটি ওই ব্যবসায়ীর প্রথমবারের অনিয়ম হওয়ায় জরিমানার পাশাপাশি তাকে সতর্ক করা হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রি এবং অবৈধভাবে সার মজুদ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে একই ধরনের অনিয়ম করলে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীর লাইসেন্স বাতিলসহ কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কৃষি উপকরণের বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এদিকে স্থানীয় কয়েকজন কৃষক ওই ব্যবসায়ীর লাইসেন্স বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, ব্যবসায়ীটি দীর্ঘদিন ধরে সার কালোবাজারি ও ভেজাল কীটনাশক বিক্রি করে আসছেন। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
