কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলা-এ ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫ জনে দাঁড়িয়েছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার বাঁশতলা বাজার এলাকায় কুড়িগ্রাম-ভুরুঙ্গামারী সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রংপুর থেকে চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরছিলেন কয়েকজন যাত্রী। পথে বিপরীত দিক থেকে আসা ভুরুঙ্গামারীগামী একটি দ্রুতগতির ট্রাকের সঙ্গে যাত্রীবাহী গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই ৩ জন নিহত হন। গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ নেওয়ার পথে আরও ২ জনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন, যাদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
নিহতদের মধ্যে ভুরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের আসাদ মোড় এলাকার বাসিন্দা মোঃ নূরনবী ও মোঃ শামীম মিয়ার পরিচয় নিশ্চিত হয়েছে। অন্যদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে।
সন্ধ্যায় ঢালডাঙ্গা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নিহতদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। শোকাহত স্বজনদের আহাজারিতে পুরো এলাকা ভারী হয়ে ওঠে।
প্রশাসন জানিয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে অতিরিক্ত গতি ও অসতর্কতাকে দায়ী করা হচ্ছে।
এদিকে এলাকাবাসী সড়কে স্পিড ব্রেকার স্থাপন, গতি নিয়ন্ত্রণ ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা রোধ করা যায়।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলা-এ ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫ জনে দাঁড়িয়েছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার বাঁশতলা বাজার এলাকায় কুড়িগ্রাম-ভুরুঙ্গামারী সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রংপুর থেকে চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরছিলেন কয়েকজন যাত্রী। পথে বিপরীত দিক থেকে আসা ভুরুঙ্গামারীগামী একটি দ্রুতগতির ট্রাকের সঙ্গে যাত্রীবাহী গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই ৩ জন নিহত হন। গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ নেওয়ার পথে আরও ২ জনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন, যাদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
নিহতদের মধ্যে ভুরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের আসাদ মোড় এলাকার বাসিন্দা মোঃ নূরনবী ও মোঃ শামীম মিয়ার পরিচয় নিশ্চিত হয়েছে। অন্যদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে।
সন্ধ্যায় ঢালডাঙ্গা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নিহতদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। শোকাহত স্বজনদের আহাজারিতে পুরো এলাকা ভারী হয়ে ওঠে।
প্রশাসন জানিয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে অতিরিক্ত গতি ও অসতর্কতাকে দায়ী করা হচ্ছে।
এদিকে এলাকাবাসী সড়কে স্পিড ব্রেকার স্থাপন, গতি নিয়ন্ত্রণ ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা রোধ করা যায়।
