হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে বোনকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ভাই শাহীন মিয়াকে (২৬) সিলেট থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৯।
র্যাব-৯ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯-এর সিপিএসসি ও সিপিসি-৩, শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্পের একটি যৌথ দল রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ১১টা ৪০ মিনিটে সিলেটের শাহপরান থানাধীন পূর্ব সাদাটিকর এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় স্থানীয় একটি গরুর ফার্ম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার শাহীন মিয়া হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ওই গ্রামের আফজাল মিয়ার ছেলে।
র্যাবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিহত শাবানা বেগম (২৪) ও তার ভাই শাহীন মিয়া একই গ্রামের বাসিন্দা। শাবানা তার ভাইয়ের কাছে ২০ হাজার টাকা পাওনা ছিলেন। ওই টাকা ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে দুজনের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়।
এরই জেরে গত ২৯ আগস্ট ২০২৬ বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নবীগঞ্জ থানাধীন দীঘলবাক ইউনিয়নের মাধবপুর এলাকায় একটি ভবনের পাশের পুকুরপাড়ে শাহীন তার বোনের পেটে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
গুরুতর আহত অবস্থায় শাবানা বেগমের মৃত্যু হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
এ ঘটনায় নিহতের স্বামী মো. আলাউদ্দিন বাদী হয়ে নবীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
ঘটনাটি গণমাধ্যমে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করলে আসামিদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।
এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিলেটে অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারনামীয় ও পলাতক এক নম্বর আসামি শাহীন মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব জানায়, গ্রেফতার আসামির বিরুদ্ধে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ থানার মামলা নম্বর-০২, তারিখ ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬; দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় মামলা রয়েছে।
পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতার শাহীন মিয়াকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-৯ জানিয়েছে, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে বোনকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ভাই শাহীন মিয়াকে (২৬) সিলেট থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৯।
র্যাব-৯ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯-এর সিপিএসসি ও সিপিসি-৩, শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্পের একটি যৌথ দল রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ১১টা ৪০ মিনিটে সিলেটের শাহপরান থানাধীন পূর্ব সাদাটিকর এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় স্থানীয় একটি গরুর ফার্ম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার শাহীন মিয়া হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ওই গ্রামের আফজাল মিয়ার ছেলে।
র্যাবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিহত শাবানা বেগম (২৪) ও তার ভাই শাহীন মিয়া একই গ্রামের বাসিন্দা। শাবানা তার ভাইয়ের কাছে ২০ হাজার টাকা পাওনা ছিলেন। ওই টাকা ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে দুজনের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়।
এরই জেরে গত ২৯ আগস্ট ২০২৬ বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নবীগঞ্জ থানাধীন দীঘলবাক ইউনিয়নের মাধবপুর এলাকায় একটি ভবনের পাশের পুকুরপাড়ে শাহীন তার বোনের পেটে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
গুরুতর আহত অবস্থায় শাবানা বেগমের মৃত্যু হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
এ ঘটনায় নিহতের স্বামী মো. আলাউদ্দিন বাদী হয়ে নবীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
ঘটনাটি গণমাধ্যমে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করলে আসামিদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।
এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিলেটে অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারনামীয় ও পলাতক এক নম্বর আসামি শাহীন মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব জানায়, গ্রেফতার আসামির বিরুদ্ধে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ থানার মামলা নম্বর-০২, তারিখ ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬; দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় মামলা রয়েছে।
পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতার শাহীন মিয়াকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-৯ জানিয়েছে, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।
