ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ঐতিহাসিক সংগ্রহশালায় মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি সরিয়ে এবার গোলাম আজমকে জুতাপেটার একটি ছবি টাঙিয়েছে ছাত্র ফেডারেশন।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে ছাত্র ফেডারেশনের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক অর্ক বড়ুয়ার নেতৃত্বে একদল শিক্ষার্থী সংগ্রহশালায় ছবিটি টাঙান।
সংগ্রহশালায় গিয়ে দেখা যায়, এর আগে যে স্থানে জিন্নাহর ছবি প্রদর্শন করা হয়েছিল, ঠিক সেই স্থানের ওপর ১৯৮১ সালে বায়তুল মোকাররমে গোলাম আজমকে জুতাপেটার একটি ছবি টাঙানো হয়েছে।
এর আগে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ডাকসু ভবনের নিচতলায় অবস্থিত ঐতিহাসিক সংগ্রহশালার সংস্কারকাজ শেষে পুনরায় উদ্বোধন করা হয়। ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনবিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা এ উদ্বোধন করেন। এ সময় ডাকসুর সহসভাপতি (ভিপি) আবু সাদিক কায়েম ও সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস এম ফরহাদ উপস্থিত ছিলেন।
সংগ্রহশালায় ১৯৪৮ সালের ২১ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে ‘উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা’ বক্তব্য দেওয়ার সময়কার মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর একটি ছবি প্রদর্শন করা হয়। পাশাপাশি ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাবের একটি দলীয় ছবি এবং ১৯৭০ সালের নির্বাচনসংক্রান্ত জিন্নাহর ছবি-সম্বলিত পাকিস্তানের ‘ডন’ পত্রিকার একটি সংবাদও রাখা হয়েছিল।
এসব ছবি প্রদর্শনের প্রতিবাদে সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে ডাকসু সংগ্রহশালায় গিয়ে তিনটি ছবি ছিঁড়ে ফেলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী আবু তৈয়ব হাবিলদার। সর্বশেষ ডাকসু নির্বাচনে তিনি সহসভাপতি (ভিপি) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
আবু তৈয়ব সাংবাদিকদের বলেন, মাতৃভাষার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া এবং ১৯৪৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে শিক্ষার্থীদের গ্রেপ্তারের ঘটনায় জিন্নাহকে ডাকসু সংগ্রহশালায় স্থান দেওয়া উচিত নয়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন্নাহসহ বিতর্কিত ব্যক্তিদের প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, জিন্নাহ, গোলাম আজম ও নিজামীর মতো বিতর্কিত ব্যক্তিদের ‘নায়ক’ হিসেবে প্রতিষ্ঠার সুযোগ দেওয়া হবে না।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে ডাকসু সংগ্রহশালায় একের পর এক ছবি সরানো ও নতুন ছবি টাঙানোর ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ঐতিহাসিক সংগ্রহশালায় মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি সরিয়ে এবার গোলাম আজমকে জুতাপেটার একটি ছবি টাঙিয়েছে ছাত্র ফেডারেশন।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে ছাত্র ফেডারেশনের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক অর্ক বড়ুয়ার নেতৃত্বে একদল শিক্ষার্থী সংগ্রহশালায় ছবিটি টাঙান।
সংগ্রহশালায় গিয়ে দেখা যায়, এর আগে যে স্থানে জিন্নাহর ছবি প্রদর্শন করা হয়েছিল, ঠিক সেই স্থানের ওপর ১৯৮১ সালে বায়তুল মোকাররমে গোলাম আজমকে জুতাপেটার একটি ছবি টাঙানো হয়েছে।
এর আগে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ডাকসু ভবনের নিচতলায় অবস্থিত ঐতিহাসিক সংগ্রহশালার সংস্কারকাজ শেষে পুনরায় উদ্বোধন করা হয়। ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনবিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা এ উদ্বোধন করেন। এ সময় ডাকসুর সহসভাপতি (ভিপি) আবু সাদিক কায়েম ও সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস এম ফরহাদ উপস্থিত ছিলেন।
সংগ্রহশালায় ১৯৪৮ সালের ২১ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে ‘উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা’ বক্তব্য দেওয়ার সময়কার মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর একটি ছবি প্রদর্শন করা হয়। পাশাপাশি ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাবের একটি দলীয় ছবি এবং ১৯৭০ সালের নির্বাচনসংক্রান্ত জিন্নাহর ছবি-সম্বলিত পাকিস্তানের ‘ডন’ পত্রিকার একটি সংবাদও রাখা হয়েছিল।
এসব ছবি প্রদর্শনের প্রতিবাদে সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে ডাকসু সংগ্রহশালায় গিয়ে তিনটি ছবি ছিঁড়ে ফেলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী আবু তৈয়ব হাবিলদার। সর্বশেষ ডাকসু নির্বাচনে তিনি সহসভাপতি (ভিপি) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
আবু তৈয়ব সাংবাদিকদের বলেন, মাতৃভাষার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া এবং ১৯৪৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে শিক্ষার্থীদের গ্রেপ্তারের ঘটনায় জিন্নাহকে ডাকসু সংগ্রহশালায় স্থান দেওয়া উচিত নয়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন্নাহসহ বিতর্কিত ব্যক্তিদের প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, জিন্নাহ, গোলাম আজম ও নিজামীর মতো বিতর্কিত ব্যক্তিদের ‘নায়ক’ হিসেবে প্রতিষ্ঠার সুযোগ দেওয়া হবে না।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে ডাকসু সংগ্রহশালায় একের পর এক ছবি সরানো ও নতুন ছবি টাঙানোর ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
