নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে এক গৃহবধূকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। সোমবার (২৭ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নারী মনিরা বেগম (৩০) উপজেলার ওমরপুর গ্রামের মাসুদ হোসেনের মেয়ে। অভিযুক্ত স্বামী ফরহাদ হোসেন জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার আটাপাড়া গ্রামের হেলালের ছেলে।
পুলিশ, আনসার সদস্য ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের সামনে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ফরহাদ ধারালো ছুরি দিয়ে মনিরাকে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
গুরুতর আহত অবস্থায় মনিরাকে উদ্ধার করে চিকিৎসা দেওয়া হলেও পরে তার মৃত্যু হয়। ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা অভিযুক্ত ফরহাদকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।
ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিন্টু রহমান জানান, অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে এক গৃহবধূকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। সোমবার (২৭ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নারী মনিরা বেগম (৩০) উপজেলার ওমরপুর গ্রামের মাসুদ হোসেনের মেয়ে। অভিযুক্ত স্বামী ফরহাদ হোসেন জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার আটাপাড়া গ্রামের হেলালের ছেলে।
পুলিশ, আনসার সদস্য ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের সামনে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ফরহাদ ধারালো ছুরি দিয়ে মনিরাকে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
গুরুতর আহত অবস্থায় মনিরাকে উদ্ধার করে চিকিৎসা দেওয়া হলেও পরে তার মৃত্যু হয়। ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা অভিযুক্ত ফরহাদকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।
ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিন্টু রহমান জানান, অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
