নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলা-এর ইসবপুর ইউনিয়নের মানপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পের কোল ঘেঁষে বয়ে চলা ছোট যমুনা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। শুষ্ক মৌসুমকে কাজে লাগিয়ে একটি চক্র দিন-রাত সমানে নদী থেকে বালু উত্তোলন ও পাচার করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দিনের তুলনায় রাতে বালু উত্তোলনের মাত্রা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। গভীর রাত হলেই ট্রাক্টরের শব্দে আশপাশের এলাকা মুখর হয়ে ওঠে। কোনো সরকারি ইজারা বা নিয়মনীতি ছাড়াই প্রকাশ্যে এসব বালু চড়া দামে বিক্রি করা হচ্ছে।
এতে নদীর তীরবর্তী সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্প-এর ঘরবাড়ি এবং আশপাশের শত শত একর কৃষিজমি মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। ইতোমধ্যে ভাঙন ও ক্ষতির শঙ্কায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
ভুক্তভোগী বাসিন্দারা জানান, অবৈধ খননের কারণে নদীর পাড় দুর্বল হয়ে পড়ছে এবং যেকোনো সময় বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে।
এ বিষয়ে ধামইরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রশান্ত চক্রবর্তী বলেন, অবৈধ বালু উত্তোলন ও পাচারের বিরুদ্ধে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। দ্রুতই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে সংশ্লিষ্ট চক্রের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলা-এর ইসবপুর ইউনিয়নের মানপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পের কোল ঘেঁষে বয়ে চলা ছোট যমুনা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। শুষ্ক মৌসুমকে কাজে লাগিয়ে একটি চক্র দিন-রাত সমানে নদী থেকে বালু উত্তোলন ও পাচার করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দিনের তুলনায় রাতে বালু উত্তোলনের মাত্রা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। গভীর রাত হলেই ট্রাক্টরের শব্দে আশপাশের এলাকা মুখর হয়ে ওঠে। কোনো সরকারি ইজারা বা নিয়মনীতি ছাড়াই প্রকাশ্যে এসব বালু চড়া দামে বিক্রি করা হচ্ছে।
এতে নদীর তীরবর্তী সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্প-এর ঘরবাড়ি এবং আশপাশের শত শত একর কৃষিজমি মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। ইতোমধ্যে ভাঙন ও ক্ষতির শঙ্কায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
ভুক্তভোগী বাসিন্দারা জানান, অবৈধ খননের কারণে নদীর পাড় দুর্বল হয়ে পড়ছে এবং যেকোনো সময় বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে।
এ বিষয়ে ধামইরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রশান্ত চক্রবর্তী বলেন, অবৈধ বালু উত্তোলন ও পাচারের বিরুদ্ধে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। দ্রুতই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে সংশ্লিষ্ট চক্রের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
