সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় এক যুবককে বিষ পান করিয়ে হত্যার ঘটনায় এজাহারভুক্ত একমাত্র পলাতক আসামি আমিরুল ইসলাম (৫০)-কে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-৯।
শুক্রবার সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯-এর সিপিসি-৩, সুনামগঞ্জ এবং সদর কোম্পানি, সিলেটের একটি যৌথ দল সিলেটের শাহপরাণ থানাধীন তামাবিল রোডের শিবগঞ্জ বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আমিরুল ইসলাম সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার বুরহানপুর গ্রামের মৃত হাজী মদরিছ মিয়ার ছেলে। তিনি দিরাই থানার মামলা নং-০৮ (তারিখ: ১১ জানুয়ারি ২০২৬)-এর এজাহারভুক্ত একমাত্র আসামি। মামলাটি পেনাল কোড ১৮৬০-এর ৩০২ ধারায় দায়ের করা হয়।
র্যাব জানায়, নিহত জয় মহাপাত্র (২০) দিরাই উপজেলার ভাঙ্গাডহর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। প্রায় দেড় মাস আগে তিনি আমিরুল ইসলামের কাছ থেকে ৫ হাজার ৫০০ টাকায় একটি ব্যবহৃত মোবাইল ফোন কেনেন। সে সময় ৫ হাজার টাকা পরিশোধ করলেও বাকি ৫০০ টাকা পরে দেওয়ার কথা ছিল।
অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৮ জানুয়ারি সকালে পাওনা টাকা চাইলে জয় তাৎক্ষণিক দিতে না পারায় আমিরুল তার মোবাইলটি নিয়ে নেন এবং বিকেলে দোকানে গিয়ে সিম কার্ড নিয়ে যেতে বলেন।
সেদিন বিকেলে জয় সিম কার্ড আনতে দোকানে গেলে অভিযুক্ত দোকানের দরজা বন্ধ করে তাকে মারধর করেন। এরপর একটি গ্লাসে বিষ মিশ্রিত পানি জোরপূর্বক পান করিয়ে সিম কার্ড দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাড়ি ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাকে প্রথমে দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৯ জানুয়ারি ২০২৬ তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে দিরাই থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই র্যাব-৯ ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে আসছিল।
বিষয়টি নিশ্চিত করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার একে এম শহীদুল ইসলাম সোহাগ জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পাশাপাশি মামলার তদন্ত ও প্রয়োজনীয় অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় এক যুবককে বিষ পান করিয়ে হত্যার ঘটনায় এজাহারভুক্ত একমাত্র পলাতক আসামি আমিরুল ইসলাম (৫০)-কে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-৯।
শুক্রবার সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯-এর সিপিসি-৩, সুনামগঞ্জ এবং সদর কোম্পানি, সিলেটের একটি যৌথ দল সিলেটের শাহপরাণ থানাধীন তামাবিল রোডের শিবগঞ্জ বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আমিরুল ইসলাম সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার বুরহানপুর গ্রামের মৃত হাজী মদরিছ মিয়ার ছেলে। তিনি দিরাই থানার মামলা নং-০৮ (তারিখ: ১১ জানুয়ারি ২০২৬)-এর এজাহারভুক্ত একমাত্র আসামি। মামলাটি পেনাল কোড ১৮৬০-এর ৩০২ ধারায় দায়ের করা হয়।
র্যাব জানায়, নিহত জয় মহাপাত্র (২০) দিরাই উপজেলার ভাঙ্গাডহর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। প্রায় দেড় মাস আগে তিনি আমিরুল ইসলামের কাছ থেকে ৫ হাজার ৫০০ টাকায় একটি ব্যবহৃত মোবাইল ফোন কেনেন। সে সময় ৫ হাজার টাকা পরিশোধ করলেও বাকি ৫০০ টাকা পরে দেওয়ার কথা ছিল।
অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৮ জানুয়ারি সকালে পাওনা টাকা চাইলে জয় তাৎক্ষণিক দিতে না পারায় আমিরুল তার মোবাইলটি নিয়ে নেন এবং বিকেলে দোকানে গিয়ে সিম কার্ড নিয়ে যেতে বলেন।
সেদিন বিকেলে জয় সিম কার্ড আনতে দোকানে গেলে অভিযুক্ত দোকানের দরজা বন্ধ করে তাকে মারধর করেন। এরপর একটি গ্লাসে বিষ মিশ্রিত পানি জোরপূর্বক পান করিয়ে সিম কার্ড দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাড়ি ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাকে প্রথমে দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৯ জানুয়ারি ২০২৬ তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে দিরাই থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই র্যাব-৯ ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে আসছিল।
বিষয়টি নিশ্চিত করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার একে এম শহীদুল ইসলাম সোহাগ জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পাশাপাশি মামলার তদন্ত ও প্রয়োজনীয় অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।
