সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় শূন্য পাসের হারের ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়নে অবস্থিত আলহাজ্ব আব্দুল মতলিব হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১৫ জন শিক্ষার্থীর কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। প্রতিষ্ঠানটির শতভাগ পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ায় স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
জানা গেছে, চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটি থেকে মোট ১৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। ফলাফল প্রকাশের পর দেখা যায়, ১৫ জনের মধ্যে একজনও পাস করতে পারেনি। এতে প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার দাঁড়িয়েছে শূন্য শতাংশে।
একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ার ঘটনায় শিক্ষার মান, পাঠদান কার্যক্রম, শিক্ষকদের দায়িত্ব পালন এবং শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয়দের মতে, এমন ফলাফলের পেছনে কী কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় শূন্য পাসের হারের ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়নে অবস্থিত আলহাজ্ব আব্দুল মতলিব হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১৫ জন শিক্ষার্থীর কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। প্রতিষ্ঠানটির শতভাগ পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ায় স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
জানা গেছে, চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটি থেকে মোট ১৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। ফলাফল প্রকাশের পর দেখা যায়, ১৫ জনের মধ্যে একজনও পাস করতে পারেনি। এতে প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার দাঁড়িয়েছে শূন্য শতাংশে।
একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ার ঘটনায় শিক্ষার মান, পাঠদান কার্যক্রম, শিক্ষকদের দায়িত্ব পালন এবং শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয়দের মতে, এমন ফলাফলের পেছনে কী কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
