ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলা-এর সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুর রহমান জেলা পর্যায়ে দ্বিতীয় শ্রেষ্ঠ অফিসার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
গত ২৬ এপ্রিল (রোববার) ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের ২০২৬ সালের জানুয়ারি–মার্চ ত্রৈমাসিক পারফরম্যান্স মূল্যায়নের ভিত্তিতে তাকে এ স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ভূমি সেবায় দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জনবান্ধব কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তিনি এই অর্জন করেন।
জানা গেছে, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি ত্রিশাল ভূমি অফিসে সেবার মান উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেন। নামজারি, খতিয়ান প্রদান, ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি ও ডিজিটাল সেবা কার্যক্রমে তিনি বিশেষ সাফল্য দেখিয়েছেন।
এছাড়া দালালচক্র নিয়ন্ত্রণ, দ্রুত সেবা নিশ্চিতকরণ এবং অফিস কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনায় স্থানীয়দের মধ্যে তার ব্যাপক প্রশংসা রয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, এই অর্জন শুধু ব্যক্তিগত নয়, বরং ত্রিশাল উপজেলার জন্যও গর্বের বিষয়। তারা আশা করছেন, ভবিষ্যতেও তিনি জনসেবায় এ ধারাবাহিকতা বজায় রাখবেন।
মাহবুবুর রহমান বলেন, “যেকোনো স্বীকৃতি কাজের অনুপ্রেরণা জোগায়। আমি চেষ্টা করেছি সরকারি সেবা যেন সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছায়। এই অর্জন পুরো টিমের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল।”
উল্লেখ্য, জেলা প্রশাসনের নিয়মিত মূল্যায়নে বিভিন্ন সূচকের ভিত্তিতে কর্মকর্তাদের পারফরম্যান্স যাচাই করে শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তা নির্বাচন করা হয়।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলা-এর সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুর রহমান জেলা পর্যায়ে দ্বিতীয় শ্রেষ্ঠ অফিসার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
গত ২৬ এপ্রিল (রোববার) ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের ২০২৬ সালের জানুয়ারি–মার্চ ত্রৈমাসিক পারফরম্যান্স মূল্যায়নের ভিত্তিতে তাকে এ স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ভূমি সেবায় দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জনবান্ধব কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তিনি এই অর্জন করেন।
জানা গেছে, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি ত্রিশাল ভূমি অফিসে সেবার মান উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেন। নামজারি, খতিয়ান প্রদান, ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি ও ডিজিটাল সেবা কার্যক্রমে তিনি বিশেষ সাফল্য দেখিয়েছেন।
এছাড়া দালালচক্র নিয়ন্ত্রণ, দ্রুত সেবা নিশ্চিতকরণ এবং অফিস কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনায় স্থানীয়দের মধ্যে তার ব্যাপক প্রশংসা রয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, এই অর্জন শুধু ব্যক্তিগত নয়, বরং ত্রিশাল উপজেলার জন্যও গর্বের বিষয়। তারা আশা করছেন, ভবিষ্যতেও তিনি জনসেবায় এ ধারাবাহিকতা বজায় রাখবেন।
মাহবুবুর রহমান বলেন, “যেকোনো স্বীকৃতি কাজের অনুপ্রেরণা জোগায়। আমি চেষ্টা করেছি সরকারি সেবা যেন সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছায়। এই অর্জন পুরো টিমের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল।”
উল্লেখ্য, জেলা প্রশাসনের নিয়মিত মূল্যায়নে বিভিন্ন সূচকের ভিত্তিতে কর্মকর্তাদের পারফরম্যান্স যাচাই করে শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তা নির্বাচন করা হয়।
