উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে উপজেলার চারটি ইউনিয়নের চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে প্রায় ১ হাজার ২০০ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
পানিবন্দি এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে কোলকোন্দ ইউনিয়নের বিনবিনিয়া, চর মটুকপুর ও চর চিলাখাল, লক্ষীটারী ইউনিয়নের পশ্চিম ইচলী ও বাগেরহাট, মর্নেয়া ইউনিয়নের নীলারপাড়, নরসিংহ চর ও মর্নেয়া এলাকা এবং নোহালী ইউনিয়নের চর বাগডহরা ও মিনা বাজার।
স্থানীয় সূত্র জানায়, নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বিভিন্ন সড়ক তলিয়ে গেছে। অনেক বাড়িঘরে পানি ঢুকে পড়ায় বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
লক্ষীটারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী জানান, তাঁর ইউনিয়নের প্রায় ৩০০ পরিবার পানিবন্দি রয়েছে। পানি আরও বাড়লে পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সজীবুল করিম বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ত্রাণ ও সহায়তা দিতে প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে।
এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম জানান, আগামী দুই দিন তিস্তা নদীর পানি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। ফলে রংপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে উপজেলার চারটি ইউনিয়নের চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে প্রায় ১ হাজার ২০০ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
পানিবন্দি এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে কোলকোন্দ ইউনিয়নের বিনবিনিয়া, চর মটুকপুর ও চর চিলাখাল, লক্ষীটারী ইউনিয়নের পশ্চিম ইচলী ও বাগেরহাট, মর্নেয়া ইউনিয়নের নীলারপাড়, নরসিংহ চর ও মর্নেয়া এলাকা এবং নোহালী ইউনিয়নের চর বাগডহরা ও মিনা বাজার।
স্থানীয় সূত্র জানায়, নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বিভিন্ন সড়ক তলিয়ে গেছে। অনেক বাড়িঘরে পানি ঢুকে পড়ায় বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
লক্ষীটারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী জানান, তাঁর ইউনিয়নের প্রায় ৩০০ পরিবার পানিবন্দি রয়েছে। পানি আরও বাড়লে পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সজীবুল করিম বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ত্রাণ ও সহায়তা দিতে প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে।
এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম জানান, আগামী দুই দিন তিস্তা নদীর পানি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। ফলে রংপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
