সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

১২ সাংবাদিকের আবেদন আটকে, ২০ দিনেও নেই জবা

তথ্য অধিকার আইনে আবেদন, তবুও তথ্য মিলছে না, মাদারগঞ্জে সাংবাদিকদের ক্ষোভ

তথ্য অধিকার আইনে আবেদন, তবুও তথ্য মিলছে না, মাদারগঞ্জে সাংবাদিকদের ক্ষোভ
ছবি: সংগৃহীত

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেও প্রয়োজনীয় তথ্য পাচ্ছেন না স্থানীয় সাংবাদিকরা। এতে সংবাদকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) তাজ উদ্দিনের দপ্তরে প্রায় ১২ জন সাংবাদিকের তথ্য চাওয়ার আবেদন দীর্ঘদিন ধরে আটকে আছে। ২০২৩-২৪, ২০২৪-২৫ ও ২০২৫-২৬ অর্থবছরের টিআর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পের বরাদ্দ তালিকা এবং সংশ্লিষ্ট তথ্য চেয়ে আবেদন করা হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো তথ্য সরবরাহ করা হয়নি।

জানা গেছে, তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ অনুযায়ী আবেদন পাওয়ার ২০ কার্যদিবসের মধ্যে তথ্য দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। সর্বশেষ গত ২০ এপ্রিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পিআইও বরাবর পুনরায় নির্ধারিত ফরমে আবেদন করেন একাধিক সাংবাদিক।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক অর্থবছরে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প ও কর্মসৃজন কর্মসূচিতে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। কাজ না করেই বা নামমাত্র কাজ দেখিয়ে প্রকল্পের বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে, যেখানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের যোগসাজসের কথাও বলা হচ্ছে।

সচেতন মহলের দাবি, এসব অনিয়ম ফাঁস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় তথ্য গোপন করা হচ্ছে। তারা প্রশ্ন তুলেছেন, পিআইও কি ইচ্ছাকৃতভাবে তথ্য আটকে রেখে অনিয়ম আড়াল করছেন, নাকি আইনের প্রতি কোনো দায়বদ্ধতা নেই?

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, তথ্য অধিকার আইন না মানলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে বাস্তবে দৃশ্যমান শাস্তির অভাবে অনেক কর্মকর্তা আইন মানতে অনীহা দেখান।

সংবাদকর্মী মাকসুদুর রহমান শাকিল জানান, “আগেও আবেদন করেও তথ্য পাইনি। এবারও আবেদন করেছি, কিন্তু কোনো ধরনের সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। কীভাবে ফি জমা দিতে হবে, সে সংক্রান্ত নির্দেশনাও দেওয়া হয়নি।”

এদিকে পিআইও তাজ উদ্দিন এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন চৌধুরীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

#দুর্নীতি #তথ্যঅধিকার #মাদারগঞ্জ

চেকপোস্ট

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬


তথ্য অধিকার আইনে আবেদন, তবুও তথ্য মিলছে না, মাদারগঞ্জে সাংবাদিকদের ক্ষোভ

প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেও প্রয়োজনীয় তথ্য পাচ্ছেন না স্থানীয় সাংবাদিকরা। এতে সংবাদকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) তাজ উদ্দিনের দপ্তরে প্রায় ১২ জন সাংবাদিকের তথ্য চাওয়ার আবেদন দীর্ঘদিন ধরে আটকে আছে। ২০২৩-২৪, ২০২৪-২৫ ও ২০২৫-২৬ অর্থবছরের টিআর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পের বরাদ্দ তালিকা এবং সংশ্লিষ্ট তথ্য চেয়ে আবেদন করা হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো তথ্য সরবরাহ করা হয়নি।

জানা গেছে, তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ অনুযায়ী আবেদন পাওয়ার ২০ কার্যদিবসের মধ্যে তথ্য দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। সর্বশেষ গত ২০ এপ্রিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পিআইও বরাবর পুনরায় নির্ধারিত ফরমে আবেদন করেন একাধিক সাংবাদিক।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক অর্থবছরে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প ও কর্মসৃজন কর্মসূচিতে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। কাজ না করেই বা নামমাত্র কাজ দেখিয়ে প্রকল্পের বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে, যেখানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের যোগসাজসের কথাও বলা হচ্ছে।

সচেতন মহলের দাবি, এসব অনিয়ম ফাঁস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় তথ্য গোপন করা হচ্ছে। তারা প্রশ্ন তুলেছেন, পিআইও কি ইচ্ছাকৃতভাবে তথ্য আটকে রেখে অনিয়ম আড়াল করছেন, নাকি আইনের প্রতি কোনো দায়বদ্ধতা নেই?

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, তথ্য অধিকার আইন না মানলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে বাস্তবে দৃশ্যমান শাস্তির অভাবে অনেক কর্মকর্তা আইন মানতে অনীহা দেখান।

সংবাদকর্মী মাকসুদুর রহমান শাকিল জানান, “আগেও আবেদন করেও তথ্য পাইনি। এবারও আবেদন করেছি, কিন্তু কোনো ধরনের সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। কীভাবে ফি জমা দিতে হবে, সে সংক্রান্ত নির্দেশনাও দেওয়া হয়নি।”

এদিকে পিআইও তাজ উদ্দিন এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন চৌধুরীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত