ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) বাসাবাড়ি থেকে বর্জ্য সংগ্রহের জন্য নির্ধারিত মাসিক ১০০ টাকার বেশি ফি আদায় ঠেকাতে নতুন তদারকি ব্যবস্থা চালু করেছে। এ লক্ষ্যে করপোরেশনের ১০টি অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ডিএসসিসির সচিব জয়নুল আবেদীন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ নির্দেশনা জারি করা হয়।
আদেশে বলা হয়েছে, করপোরেশনের আওতাধীন ওয়ার্ডগুলোতে প্রাথমিক বর্জ্য সংগ্রহকারী সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান (পিসিএসপি) বাসাবাড়ি থেকে বর্জ্য সংগ্রহ করে নির্ধারিত স্থানে নিয়ে যায়। এ সেবার জন্য প্রতি পরিবার থেকে মাসিক ১০০ টাকা ফি নেওয়ার বিধান রয়েছে। নির্ধারিত ফি অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করতে পিসিএসপির দৈনন্দিন কার্যক্রম, বর্জ্য অপসারণ এবং সংশ্লিষ্ট সেবার মান তদারকির দায়িত্ব অঞ্চলভিত্তিক কর্মকর্তাদের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে।
দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে নিয়মিত বর্জ্য সংগ্রহ হচ্ছে কি না, নির্ধারিত ফির বেশি টাকা আদায় করা হচ্ছে কি না এবং কোনো ধরনের অনিয়ম রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রশাসনিক মাধ্যমে বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
নগর বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত ফি আদায় বন্ধে পিসিএসপির তালিকা প্রকাশ, নিয়মিত মনিটরিং, অভিযোগ গ্রহণের কার্যকর ব্যবস্থা এবং অনিয়মকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নিশ্চিত করা জরুরি।
এছাড়া বর্জ্য সংগ্রহের পর তা কোথায় নেওয়া হচ্ছে, সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস)-এর পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে কি না, সেটিও তদারকির আওতায় আনা হয়েছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) বাসাবাড়ি থেকে বর্জ্য সংগ্রহের জন্য নির্ধারিত মাসিক ১০০ টাকার বেশি ফি আদায় ঠেকাতে নতুন তদারকি ব্যবস্থা চালু করেছে। এ লক্ষ্যে করপোরেশনের ১০টি অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ডিএসসিসির সচিব জয়নুল আবেদীন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ নির্দেশনা জারি করা হয়।
আদেশে বলা হয়েছে, করপোরেশনের আওতাধীন ওয়ার্ডগুলোতে প্রাথমিক বর্জ্য সংগ্রহকারী সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান (পিসিএসপি) বাসাবাড়ি থেকে বর্জ্য সংগ্রহ করে নির্ধারিত স্থানে নিয়ে যায়। এ সেবার জন্য প্রতি পরিবার থেকে মাসিক ১০০ টাকা ফি নেওয়ার বিধান রয়েছে। নির্ধারিত ফি অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করতে পিসিএসপির দৈনন্দিন কার্যক্রম, বর্জ্য অপসারণ এবং সংশ্লিষ্ট সেবার মান তদারকির দায়িত্ব অঞ্চলভিত্তিক কর্মকর্তাদের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে।
দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে নিয়মিত বর্জ্য সংগ্রহ হচ্ছে কি না, নির্ধারিত ফির বেশি টাকা আদায় করা হচ্ছে কি না এবং কোনো ধরনের অনিয়ম রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রশাসনিক মাধ্যমে বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
নগর বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত ফি আদায় বন্ধে পিসিএসপির তালিকা প্রকাশ, নিয়মিত মনিটরিং, অভিযোগ গ্রহণের কার্যকর ব্যবস্থা এবং অনিয়মকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নিশ্চিত করা জরুরি।
এছাড়া বর্জ্য সংগ্রহের পর তা কোথায় নেওয়া হচ্ছে, সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস)-এর পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে কি না, সেটিও তদারকির আওতায় আনা হয়েছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
