বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

সহকর্মীদের ভালোবাসায় বিদায় অনুষ্ঠান

টুঙ্গিপাড়ায় ২৯ বছরের শিক্ষকতার রমজান আলী মোল্লার দীর্ঘ কর্মজীবনের সমাপ্তি

টুঙ্গিপাড়ায় ২৯ বছরের শিক্ষকতার রমজান আলী মোল্লার দীর্ঘ কর্মজীবনের সমাপ্তি
ছবি: চেকপোস্ট

গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বর্নি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রমজান আলী মোল্লা ২৯ বছরের দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবন শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে অবসর গ্রহণ করেছেন।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৫৭ সালে মরহুম মোঃ রুস্তম আলী মোল্লা প্রতিষ্ঠিত এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তারই সন্তান রমজান আলী মোল্লা ১৯৯৫ সালে সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। পরবর্তীতে তিনি নিষ্ঠা ও সুনামের সাথে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন।

একই দিনে ১৯৯৫ সালের ১৫ অক্টোবর যোগদান করা জমিদাতা পরিবারের বংশধর গোলাম কিবলিয়া খানও অবসর গ্রহণ করেন। দীর্ঘদিন পর একই সাথে দুই শিক্ষকের বিদায়ে বিদ্যালয়জুড়ে আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

অবসর উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষার্থীরা তাদের প্রিয় প্রধান শিক্ষককে ফুল, পাঞ্জাবি ও কলমসহ বিভিন্ন উপহার দিয়ে সম্মান জানান।

প্রাক্তন শিক্ষার্থী মোঃ নাজমুল বিশ্বাস বলেন, রমজান স্যারের মতো শিক্ষক আর আসবে না। তিনি আমাদের অভিভাবকের মতো আগলে রেখেছেন।

বিদায়ী বক্তব্যে রমজান আলী মোল্লা সহকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমি চলে যাচ্ছি, কিন্তু বিদ্যালয়কে আগলে রেখো। কোনো শিক্ষার্থী যেন টাকার অভাবে পড়াশোনা থেকে পিছিয়ে না পড়ে তাদের সহায়তা করো।”

অনুষ্ঠানে সহকর্মীরাও তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আবেগঘন বিদায় নেন।

দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি শুধু শিক্ষক নন, বরং একজন অভিভাবক ও পথপ্রদর্শক হিসেবে শিক্ষার্থীদের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছেন।

#টুঙ্গিপাড়া #শিক্ষা_সংবাদ #বিদায়_অনুষ্ঠান

চেকপোস্ট

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬


টুঙ্গিপাড়ায় ২৯ বছরের শিক্ষকতার রমজান আলী মোল্লার দীর্ঘ কর্মজীবনের সমাপ্তি

প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বর্নি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রমজান আলী মোল্লা ২৯ বছরের দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবন শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে অবসর গ্রহণ করেছেন।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৫৭ সালে মরহুম মোঃ রুস্তম আলী মোল্লা প্রতিষ্ঠিত এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তারই সন্তান রমজান আলী মোল্লা ১৯৯৫ সালে সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। পরবর্তীতে তিনি নিষ্ঠা ও সুনামের সাথে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন।

একই দিনে ১৯৯৫ সালের ১৫ অক্টোবর যোগদান করা জমিদাতা পরিবারের বংশধর গোলাম কিবলিয়া খানও অবসর গ্রহণ করেন। দীর্ঘদিন পর একই সাথে দুই শিক্ষকের বিদায়ে বিদ্যালয়জুড়ে আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

অবসর উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষার্থীরা তাদের প্রিয় প্রধান শিক্ষককে ফুল, পাঞ্জাবি ও কলমসহ বিভিন্ন উপহার দিয়ে সম্মান জানান।

প্রাক্তন শিক্ষার্থী মোঃ নাজমুল বিশ্বাস বলেন, রমজান স্যারের মতো শিক্ষক আর আসবে না। তিনি আমাদের অভিভাবকের মতো আগলে রেখেছেন।

বিদায়ী বক্তব্যে রমজান আলী মোল্লা সহকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমি চলে যাচ্ছি, কিন্তু বিদ্যালয়কে আগলে রেখো। কোনো শিক্ষার্থী যেন টাকার অভাবে পড়াশোনা থেকে পিছিয়ে না পড়ে তাদের সহায়তা করো।”

অনুষ্ঠানে সহকর্মীরাও তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আবেগঘন বিদায় নেন।

দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি শুধু শিক্ষক নন, বরং একজন অভিভাবক ও পথপ্রদর্শক হিসেবে শিক্ষার্থীদের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছেন।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত