বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মধ্যে গাছ কাটতে গিয়ে দিলবর সরদার (৫৫) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার পৌর এলাকার নিজ বাটিয়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত দিলবর সরদার মৃত জালাল সরদারের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার গভীর রাতে প্রবল ঝড় ও বৃষ্টিতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গাছ উপড়ে পড়ে, ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং কৃষিজমিতে ব্যাপক ক্ষতি হয়। সকালে বাড়ির পাশে উপড়ে পড়া একটি বড় গাছ সরানোর সময় হঠাৎ সেটি তার শরীরের ওপর পড়ে গেলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করলেও ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
কালবৈশাখীর প্রভাবে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে টিনশেড ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, অনেক স্থানে দেয়াল ধসে পড়েছে এবং অসংখ্য গাছপালা ভূপাতিত হয়েছে। কৃষকদের পাকা বোরো ধান নষ্ট হয়ে গেছে এবং নিচু এলাকায় জমে থাকা পানিতে ফসল ডুবে গেছে।
সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা বাদশা মিয়া জানান, ঝড়ে তার দুটি টিনশেড ঘর মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একটি নারিকেল গাছ ভেঙে পাশের বাড়ির ওপর পড়ে আরও ক্ষতি হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমাইয়া ফেরদৌস বলেন, ঝড়ে সরকারি স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উপজেলা ভূমি অফিসের দেয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে এবং চত্বরে বড় গাছ উপড়ে পড়েছে। ক্ষয়ক্ষতির সঠিক হিসাব নিরূপণ ও ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে।
এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো দ্রুত সরকারি সহায়তা প্রদানের দাবি জানিয়েছেন, যাতে তারা স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মধ্যে গাছ কাটতে গিয়ে দিলবর সরদার (৫৫) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার পৌর এলাকার নিজ বাটিয়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত দিলবর সরদার মৃত জালাল সরদারের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার গভীর রাতে প্রবল ঝড় ও বৃষ্টিতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গাছ উপড়ে পড়ে, ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং কৃষিজমিতে ব্যাপক ক্ষতি হয়। সকালে বাড়ির পাশে উপড়ে পড়া একটি বড় গাছ সরানোর সময় হঠাৎ সেটি তার শরীরের ওপর পড়ে গেলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করলেও ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
কালবৈশাখীর প্রভাবে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে টিনশেড ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, অনেক স্থানে দেয়াল ধসে পড়েছে এবং অসংখ্য গাছপালা ভূপাতিত হয়েছে। কৃষকদের পাকা বোরো ধান নষ্ট হয়ে গেছে এবং নিচু এলাকায় জমে থাকা পানিতে ফসল ডুবে গেছে।
সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা বাদশা মিয়া জানান, ঝড়ে তার দুটি টিনশেড ঘর মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একটি নারিকেল গাছ ভেঙে পাশের বাড়ির ওপর পড়ে আরও ক্ষতি হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমাইয়া ফেরদৌস বলেন, ঝড়ে সরকারি স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উপজেলা ভূমি অফিসের দেয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে এবং চত্বরে বড় গাছ উপড়ে পড়েছে। ক্ষয়ক্ষতির সঠিক হিসাব নিরূপণ ও ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে।
এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো দ্রুত সরকারি সহায়তা প্রদানের দাবি জানিয়েছেন, যাতে তারা স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন।
