রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

সিসিটিভি ফুটেজেও মিলছে না কোনো কুল, ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা

জয় বাংলা লিখন কাণ্ডে বেরোবি প্রশাসনের ব্যর্থতা তদন্ত কমিটি নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

জয় বাংলা লিখন কাণ্ডে বেরোবি প্রশাসনের ব্যর্থতা তদন্ত কমিটি নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ছবি : সংগৃহীত, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ক্যাম্পাসের দেয়ালে রাজনৈতিক স্লোগান লেখার ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি নির্ধারিত ৭ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা থাকলেও ৯ মাস পেরিয়ে গেলেও কোনো ফল পাওয়া যায়নি।

গত বছর বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শহিদ আবু সাঈদের শাহাদতবার্ষিকী ও জুলাই শহীদ দিবসের আগের রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে যেমন যাত্রী ছাউনি ও কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির দেয়ালে জয় বাংলা শেখ হাসিনা ফিরবে’সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক স্লোগান লেখা দেখা যায়।

ঘটনার সময় ক্যাম্পাসে উচ্চ পর্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং অন্তর্বর্তী সরকারের চার উপদেষ্টার আগমন থাকায় বিষয়টি আরও আলোচনার জন্ম দেয়। নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও এমন ঘটনা ঘটায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়।

এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে, যার আহ্বায়ক ছিলেন ড. ইলিয়াছ প্রামানিক এবং সদস্যসচিব ছিলেন আব্দুল্লাহ আল মাহবুব। কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হলেও কমিটি এখনো কোনো ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে পারেনি।

বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতারা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের অভিযোগ, একাধিক তদন্ত কমিটি গঠন হলেও কোনো ঘটনারই কার্যকর সমাধান হয়নি, যা প্রশাসনিক ব্যর্থতার ইঙ্গিত দেয়।

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক জানিয়েছেন, সিসিটিভি ফুটেজ ও আশপাশের বিভিন্ন ক্যামেরা পর্যালোচনা করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো নির্দিষ্ট সূত্র পাওয়া যায়নি।

এদিকে, দীর্ঘ সময়েও রহস্য উদঘাটন না হওয়ায় ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও প্রশাসনের কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

#বেরোবি #তদন্ত_কমিটি #ক্যাম্পাস_নিউজ

চেকপোস্ট

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬


জয় বাংলা লিখন কাণ্ডে বেরোবি প্রশাসনের ব্যর্থতা তদন্ত কমিটি নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ক্যাম্পাসের দেয়ালে রাজনৈতিক স্লোগান লেখার ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি নির্ধারিত ৭ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা থাকলেও ৯ মাস পেরিয়ে গেলেও কোনো ফল পাওয়া যায়নি।

গত বছর বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শহিদ আবু সাঈদের শাহাদতবার্ষিকী ও জুলাই শহীদ দিবসের আগের রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে যেমন যাত্রী ছাউনি ও কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির দেয়ালে জয় বাংলা শেখ হাসিনা ফিরবে’সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক স্লোগান লেখা দেখা যায়।

ঘটনার সময় ক্যাম্পাসে উচ্চ পর্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং অন্তর্বর্তী সরকারের চার উপদেষ্টার আগমন থাকায় বিষয়টি আরও আলোচনার জন্ম দেয়। নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও এমন ঘটনা ঘটায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়।

এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে, যার আহ্বায়ক ছিলেন ড. ইলিয়াছ প্রামানিক এবং সদস্যসচিব ছিলেন আব্দুল্লাহ আল মাহবুব। কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হলেও কমিটি এখনো কোনো ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে পারেনি।

বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতারা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের অভিযোগ, একাধিক তদন্ত কমিটি গঠন হলেও কোনো ঘটনারই কার্যকর সমাধান হয়নি, যা প্রশাসনিক ব্যর্থতার ইঙ্গিত দেয়।

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক জানিয়েছেন, সিসিটিভি ফুটেজ ও আশপাশের বিভিন্ন ক্যামেরা পর্যালোচনা করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো নির্দিষ্ট সূত্র পাওয়া যায়নি।

এদিকে, দীর্ঘ সময়েও রহস্য উদঘাটন না হওয়ায় ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও প্রশাসনের কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত