জয়পুরহাটে বিস্ফোরক ও হত্যা মামলায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর ৭ জন নেতাকর্মীর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার দুপুরে জয়পুরহাট আমলি আদালত (সদর) এর অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মিলন চন্দ্র পাল শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
কারাগারে পাঠানোরা হলেন কালাই উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক ফজলুর রহমান, সহসভাপতি আব্দুল কুদ্দুস ফকির, জিন্দারপুর ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম, কালাই উপজেলা যুবলীগের সভাপতি জিয়াউর রহমান, আহম্মেদাবাদ ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি আকবর আলী, উপজেলা আ.লীগের সদস্য এনামুল হোসেন ফকির এবং সাবেক ছাত্রনেতা মিনহাজুর রহমান মিথুন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, তারা জুলাই আন্দোলনে সংঘটিত বিস্ফোরক ও হত্যা মামলার তালিকাভুক্ত আসামি। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর বৃহস্পতিবার তারা একসঙ্গে আদালতে হাজির হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন।
দীর্ঘ শুনানি শেষে বিচারক তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন এবং কড়া পুলিশি পাহারায় জয়পুরহাট জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এ বিষয়ে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর শাহানুর রহমান শাহীন জানান, মামলার গুরুত্ব বিবেচনায় আদালত তাদের জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
জয়পুরহাটে বিস্ফোরক ও হত্যা মামলায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর ৭ জন নেতাকর্মীর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার দুপুরে জয়পুরহাট আমলি আদালত (সদর) এর অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মিলন চন্দ্র পাল শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
কারাগারে পাঠানোরা হলেন কালাই উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক ফজলুর রহমান, সহসভাপতি আব্দুল কুদ্দুস ফকির, জিন্দারপুর ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম, কালাই উপজেলা যুবলীগের সভাপতি জিয়াউর রহমান, আহম্মেদাবাদ ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি আকবর আলী, উপজেলা আ.লীগের সদস্য এনামুল হোসেন ফকির এবং সাবেক ছাত্রনেতা মিনহাজুর রহমান মিথুন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, তারা জুলাই আন্দোলনে সংঘটিত বিস্ফোরক ও হত্যা মামলার তালিকাভুক্ত আসামি। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর বৃহস্পতিবার তারা একসঙ্গে আদালতে হাজির হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন।
দীর্ঘ শুনানি শেষে বিচারক তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন এবং কড়া পুলিশি পাহারায় জয়পুরহাট জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এ বিষয়ে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর শাহানুর রহমান শাহীন জানান, মামলার গুরুত্ব বিবেচনায় আদালত তাদের জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।
