চোখের সামনে হঠাৎ কালো ছায়া বা পর্দার মতো অন্ধকার দেখা সবসময় চোখের ক্লান্তি বা দীর্ঘ সময় মোবাইল-কম্পিউটার ব্যবহারের কারণে হয় না। বিশেষ করে এর সঙ্গে নতুন করে অনেক কালো দাগ বা ফ্লোটার, আলোর ঝলকানি, ঝাপসা দেখা কিংবা পাশের দৃষ্টিতে অন্ধকার নেমে আসলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন। এসব লক্ষণ রেটিনায় ছিঁড়ে যাওয়া বা রেটিনা আলাদা হয়ে যাওয়ার (রেটিনাল ডিটাচমেন্ট) সতর্কসংকেত হতে পারে।
রেটিনা স্বাভাবিক অবস্থান থেকে সরে গেলে বা আলাদা হয়ে গেলে দৃষ্টিশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। দ্রুত চিকিৎসা না হলে আক্রান্ত চোখে স্থায়ী দৃষ্টিশক্তি হারানোর ঝুঁকি থাকে।
তবে এমন লক্ষণ দেখা মানেই রেটিনা আলাদা হয়ে গেছে এমন নয়। ভিট্রিয়াসে বয়সজনিত পরিবর্তনসহ অন্য কারণেও ফ্লোটার বা আলোর ঝলকানি হতে পারে। সঠিক কারণ জানতে চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরীক্ষা প্রয়োজন।
আলোর ঝলকানি: চোখে হঠাৎ ক্যামেরার ফ্ল্যাশের মতো আলো দেখা রেটিনার ওপর টানের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।
দৃষ্টি ঝাপসা হওয়া: হঠাৎ দৃষ্টি ঝাপসা বা দৃষ্টিশক্তির পরিবর্তনও জরুরি পরীক্ষার কারণ হতে পারে।
পাশের দৃষ্টি কমে যাওয়া: সামনে দেখা গেলেও দৃষ্টিক্ষেত্রের পাশে অন্ধকার বা ছায়া দেখা রেটিনার সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।
যাদের মায়োপিয়া বা দূরের জিনিস দেখতে বেশি পাওয়ারের চশমা লাগে, আগে ছানি বা অন্য চোখের অস্ত্রোপচার হয়েছে, চোখে গুরুতর আঘাত লেগেছে কিংবা পরিবারের কারও রেটিনাল ডিটাচমেন্টের ইতিহাস রয়েছে—তাদের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি হতে পারে।
NHS ও আমেরিকান একাডেমি অব অফথালমোলজি এসব লক্ষণকে দ্রুত মূল্যায়নের প্রয়োজনীয় সতর্কসংকেত হিসেবে উল্লেখ করেছে।
রেটিনায় ছিঁড়ে যাওয়া ধরা পড়লে লেজারসহ বিভিন্ন পদ্ধতিতে চিকিৎসা করা যেতে পারে। রেটিনা আলাদা হয়ে গেলে রোগের ধরন ও অবস্থার ওপর ভিত্তি করে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে।
সুতরাং, চোখের সামনে হঠাৎ কালো পর্দা বা ছায়া দেখা গেলে বিষয়টি অবহেলা না করাই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে এর সঙ্গে ফ্লোটার, আলোর ঝলকানি বা দৃষ্টিশক্তির পরিবর্তন থাকলে দ্রুত চোখ পরীক্ষা করানো উচিত। কারণ রেটিনার গুরুতর সমস্যা থাকলে দ্রুত শনাক্ত ও চিকিৎসা দৃষ্টিশক্তি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চোখের সামনে হঠাৎ কালো ছায়া বা পর্দার মতো অন্ধকার দেখা সবসময় চোখের ক্লান্তি বা দীর্ঘ সময় মোবাইল-কম্পিউটার ব্যবহারের কারণে হয় না। বিশেষ করে এর সঙ্গে নতুন করে অনেক কালো দাগ বা ফ্লোটার, আলোর ঝলকানি, ঝাপসা দেখা কিংবা পাশের দৃষ্টিতে অন্ধকার নেমে আসলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন। এসব লক্ষণ রেটিনায় ছিঁড়ে যাওয়া বা রেটিনা আলাদা হয়ে যাওয়ার (রেটিনাল ডিটাচমেন্ট) সতর্কসংকেত হতে পারে।
রেটিনা স্বাভাবিক অবস্থান থেকে সরে গেলে বা আলাদা হয়ে গেলে দৃষ্টিশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। দ্রুত চিকিৎসা না হলে আক্রান্ত চোখে স্থায়ী দৃষ্টিশক্তি হারানোর ঝুঁকি থাকে।
তবে এমন লক্ষণ দেখা মানেই রেটিনা আলাদা হয়ে গেছে এমন নয়। ভিট্রিয়াসে বয়সজনিত পরিবর্তনসহ অন্য কারণেও ফ্লোটার বা আলোর ঝলকানি হতে পারে। সঠিক কারণ জানতে চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরীক্ষা প্রয়োজন।
আলোর ঝলকানি: চোখে হঠাৎ ক্যামেরার ফ্ল্যাশের মতো আলো দেখা রেটিনার ওপর টানের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।
দৃষ্টি ঝাপসা হওয়া: হঠাৎ দৃষ্টি ঝাপসা বা দৃষ্টিশক্তির পরিবর্তনও জরুরি পরীক্ষার কারণ হতে পারে।
পাশের দৃষ্টি কমে যাওয়া: সামনে দেখা গেলেও দৃষ্টিক্ষেত্রের পাশে অন্ধকার বা ছায়া দেখা রেটিনার সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।
যাদের মায়োপিয়া বা দূরের জিনিস দেখতে বেশি পাওয়ারের চশমা লাগে, আগে ছানি বা অন্য চোখের অস্ত্রোপচার হয়েছে, চোখে গুরুতর আঘাত লেগেছে কিংবা পরিবারের কারও রেটিনাল ডিটাচমেন্টের ইতিহাস রয়েছে—তাদের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি হতে পারে।
NHS ও আমেরিকান একাডেমি অব অফথালমোলজি এসব লক্ষণকে দ্রুত মূল্যায়নের প্রয়োজনীয় সতর্কসংকেত হিসেবে উল্লেখ করেছে।
রেটিনায় ছিঁড়ে যাওয়া ধরা পড়লে লেজারসহ বিভিন্ন পদ্ধতিতে চিকিৎসা করা যেতে পারে। রেটিনা আলাদা হয়ে গেলে রোগের ধরন ও অবস্থার ওপর ভিত্তি করে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে।
সুতরাং, চোখের সামনে হঠাৎ কালো পর্দা বা ছায়া দেখা গেলে বিষয়টি অবহেলা না করাই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে এর সঙ্গে ফ্লোটার, আলোর ঝলকানি বা দৃষ্টিশক্তির পরিবর্তন থাকলে দ্রুত চোখ পরীক্ষা করানো উচিত। কারণ রেটিনার গুরুতর সমস্যা থাকলে দ্রুত শনাক্ত ও চিকিৎসা দৃষ্টিশক্তি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
