চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) নতুন উপাচার্য নিয়োগের প্রজ্ঞাপন বাতিল এবং অপসারিত উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে স্বপদে পুনর্বহালের দাবিতে সর্বাত্মক শাটডাউন ও গণ-অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে আন্দোলন শুরু করেন তারা। নতুন নিয়োগ পাওয়া উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমের ক্যাম্পাসে প্রবেশ ঠেকাতেই এ কর্মসূচি বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। দিনভর স্লোগান ও বিক্ষোভে উত্তাল থাকে ক্যাম্পাস।
শিক্ষার্থীদের এক দফা দাবি হলো—সদ্য জারি করা উপাচার্য নিয়োগের প্রজ্ঞাপন বাতিল করে অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে চুয়েটের উপাচার্য পদে পুনর্বহাল করতে হবে।
দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস, পরীক্ষা, ল্যাব ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। তবে নিরাপত্তা ও জরুরি চিকিৎসাসেবা এ কর্মসূচির আওতামুক্ত থাকবে।
আন্দোলনকারীরা আরও জানিয়েছেন, প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে উপাচার্য ভবনের সামনে ২১ থেকে ২৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে গণ-অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত উপাচার্য ভবনের সামনে অবস্থান অব্যাহত রাখবেন তারা।
যন্ত্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সাকিব হাসান বলেন, কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই উপাচার্যকে অপসারণের প্রতিবাদে তারা আন্দোলনে নেমেছেন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সর্বাত্মক শাটডাউন চলবে।
এদিকে শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছে চুয়েট শিক্ষক সমিতি। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী সমিতির যৌথ উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. বসির জিসান বলেন, অধ্যাপক ড. সায়েম প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সভায় উপস্থিত ছিলেন। সভা থেকে বের হওয়ার পর তিনি জানতে পারেন যে তাকে উপাচার্য পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষক সমাজ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করছে বলেও জানান তিনি।
এর আগে ২১ সেপ্টেম্বর রাতে অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে চুয়েটের উপাচার্য পদ থেকে অপসারণ করে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ওই রাত থেকেই ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন এবং উপাচার্য ভবনে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন চুয়েটের শিক্ষার্থীরা।

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) নতুন উপাচার্য নিয়োগের প্রজ্ঞাপন বাতিল এবং অপসারিত উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে স্বপদে পুনর্বহালের দাবিতে সর্বাত্মক শাটডাউন ও গণ-অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে আন্দোলন শুরু করেন তারা। নতুন নিয়োগ পাওয়া উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমের ক্যাম্পাসে প্রবেশ ঠেকাতেই এ কর্মসূচি বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। দিনভর স্লোগান ও বিক্ষোভে উত্তাল থাকে ক্যাম্পাস।
শিক্ষার্থীদের এক দফা দাবি হলো—সদ্য জারি করা উপাচার্য নিয়োগের প্রজ্ঞাপন বাতিল করে অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে চুয়েটের উপাচার্য পদে পুনর্বহাল করতে হবে।
দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস, পরীক্ষা, ল্যাব ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। তবে নিরাপত্তা ও জরুরি চিকিৎসাসেবা এ কর্মসূচির আওতামুক্ত থাকবে।
আন্দোলনকারীরা আরও জানিয়েছেন, প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে উপাচার্য ভবনের সামনে ২১ থেকে ২৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে গণ-অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত উপাচার্য ভবনের সামনে অবস্থান অব্যাহত রাখবেন তারা।
যন্ত্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সাকিব হাসান বলেন, কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই উপাচার্যকে অপসারণের প্রতিবাদে তারা আন্দোলনে নেমেছেন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সর্বাত্মক শাটডাউন চলবে।
এদিকে শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছে চুয়েট শিক্ষক সমিতি। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী সমিতির যৌথ উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. বসির জিসান বলেন, অধ্যাপক ড. সায়েম প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সভায় উপস্থিত ছিলেন। সভা থেকে বের হওয়ার পর তিনি জানতে পারেন যে তাকে উপাচার্য পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষক সমাজ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করছে বলেও জানান তিনি।
এর আগে ২১ সেপ্টেম্বর রাতে অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে চুয়েটের উপাচার্য পদ থেকে অপসারণ করে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ওই রাত থেকেই ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন এবং উপাচার্য ভবনে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন চুয়েটের শিক্ষার্থীরা।
