চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে রাসায়নিক সার বিক্রি এবং অবৈধভাবে সার মজুতের অভিযোগে এক খুচরা ডিলারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সোমবার (২৪ আগস্ট ২০২৬) দুপুর সাড়ে ১টার দিকে সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নের হোসেনডাঙ্গা এলাকায় অবস্থিত ‘মেসার্স ইসলাম ট্রেডার্স’ নামের দোকানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে সরকার নির্ধারিত মূল্যের বেশি দামে সার বিক্রি এবং কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে সার মজুত রাখার প্রমাণ পাওয়া যায়।
এ সময় দোকান থেকে ২৫৯ বস্তা ইউরিয়া, ১০৬ বস্তা ডিএপি এবং ৪৫ বস্তা টিএসপি সার মজুত পাওয়া যায়। এ অপরাধে দোকান মালিক মো. নুর ইসলাম (৫০)-কে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইকরামুল হক নাহিদ।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, জব্দ করা সারগুলো সরকার নির্ধারিত মূল্যে স্থানীয় প্রকৃত কৃষকদের কাছে স্বচ্ছতার সঙ্গে বিক্রি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিক্রয়লব্ধ অর্থ পরে দোকান মালিকের কাছে বুঝিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
সার বিক্রির পুরো প্রক্রিয়া তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ঝিলিম ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান-কে।
অভিযানে সদর উপজেলা কৃষি বিভাগ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশের সমন্বিত টিম সহযোগিতা করে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা, সারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বাজারে মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলাজুড়ে নিয়মিত মনিটরিং ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে রাসায়নিক সার বিক্রি এবং অবৈধভাবে সার মজুতের অভিযোগে এক খুচরা ডিলারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সোমবার (২৪ আগস্ট ২০২৬) দুপুর সাড়ে ১টার দিকে সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নের হোসেনডাঙ্গা এলাকায় অবস্থিত ‘মেসার্স ইসলাম ট্রেডার্স’ নামের দোকানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে সরকার নির্ধারিত মূল্যের বেশি দামে সার বিক্রি এবং কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে সার মজুত রাখার প্রমাণ পাওয়া যায়।
এ সময় দোকান থেকে ২৫৯ বস্তা ইউরিয়া, ১০৬ বস্তা ডিএপি এবং ৪৫ বস্তা টিএসপি সার মজুত পাওয়া যায়। এ অপরাধে দোকান মালিক মো. নুর ইসলাম (৫০)-কে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইকরামুল হক নাহিদ।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, জব্দ করা সারগুলো সরকার নির্ধারিত মূল্যে স্থানীয় প্রকৃত কৃষকদের কাছে স্বচ্ছতার সঙ্গে বিক্রি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিক্রয়লব্ধ অর্থ পরে দোকান মালিকের কাছে বুঝিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
সার বিক্রির পুরো প্রক্রিয়া তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ঝিলিম ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান-কে।
অভিযানে সদর উপজেলা কৃষি বিভাগ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশের সমন্বিত টিম সহযোগিতা করে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা, সারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বাজারে মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলাজুড়ে নিয়মিত মনিটরিং ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।
