চট্টগ্রাম নগরীর দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে চলছে বলে জানিয়েছেন ডা. শাহাদাত হোসেন, মেয়র চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। তিনি মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে নগরীর বিভিন্ন জলাবদ্ধতাপ্রবণ এলাকা পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনের অংশ হিসেবে মুরাদপুর, কাতালগঞ্জ এবং প্রবর্তক মোড় এলাকায় গিয়ে মেয়র স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের ভোগান্তির বিষয়গুলো শুনেন। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের কাছ থেকে খাল সংস্কার কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা নেন।
মেয়র জানান, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)-এর অধীনে নগরীর বিভিন্ন খালে সংস্কার কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। বিশেষ করে হিজরা খাল ও জামালখান খালের সংস্কার কার্যক্রম চলমান থাকায় কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে পানি নিষ্কাশনে বিঘ্ন ঘটছে, যার ফলে অস্থায়ী জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে।
তিনি বলেন, “উন্নয়ন কাজের কারণে সাময়িক দুর্ভোগ হলেও দীর্ঘমেয়াদে এটি নগরবাসীর জন্য সুফল বয়ে আনবে। কাজ শেষ হলে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা অনেক উন্নত হবে।”
মেয়র আরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, আগামী ১৫ মে’র মধ্যে খাল সংস্কার কাজ সম্পন্ন হবে। এতে ড্রেনেজ ব্যবস্থায় বড় ধরনের উন্নতি আসবে এবং জলাবদ্ধতা উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাবে। তিনি জানান, চলতি বর্ষা মৌসুমেই চট্টগ্রামের প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ জলাবদ্ধতা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।
এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরিদর্শনকালে চসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
চট্টগ্রাম নগরীর দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে চলছে বলে জানিয়েছেন ডা. শাহাদাত হোসেন, মেয়র চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। তিনি মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে নগরীর বিভিন্ন জলাবদ্ধতাপ্রবণ এলাকা পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনের অংশ হিসেবে মুরাদপুর, কাতালগঞ্জ এবং প্রবর্তক মোড় এলাকায় গিয়ে মেয়র স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের ভোগান্তির বিষয়গুলো শুনেন। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের কাছ থেকে খাল সংস্কার কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা নেন।
মেয়র জানান, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)-এর অধীনে নগরীর বিভিন্ন খালে সংস্কার কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। বিশেষ করে হিজরা খাল ও জামালখান খালের সংস্কার কার্যক্রম চলমান থাকায় কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে পানি নিষ্কাশনে বিঘ্ন ঘটছে, যার ফলে অস্থায়ী জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে।
তিনি বলেন, “উন্নয়ন কাজের কারণে সাময়িক দুর্ভোগ হলেও দীর্ঘমেয়াদে এটি নগরবাসীর জন্য সুফল বয়ে আনবে। কাজ শেষ হলে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা অনেক উন্নত হবে।”
মেয়র আরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, আগামী ১৫ মে’র মধ্যে খাল সংস্কার কাজ সম্পন্ন হবে। এতে ড্রেনেজ ব্যবস্থায় বড় ধরনের উন্নতি আসবে এবং জলাবদ্ধতা উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাবে। তিনি জানান, চলতি বর্ষা মৌসুমেই চট্টগ্রামের প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ জলাবদ্ধতা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।
এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরিদর্শনকালে চসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
