চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে অবৈধভাবে সার মজুদ ও বিপণনের অভিযোগে মো. মোশাররফ হোসেন নামে এক ব্যবসায়ীকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তার দোকান থেকে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে মজুদ করা ১৩ বস্তা ডিএপি সার জব্দ করা হয়েছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার পার্বতীপুর ইউনিয়নের দিঘী বাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন গোমস্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিল্লুর রহমান।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে দিঘী বাজারের ওই ব্যবসায়ীর দোকানে অভিযান চালানো হয়। সেখানে সার ব্যবস্থাপনা আইন-২০০৬-এর ১২ ধারা অনুযায়ী অবৈধভাবে সার মজুদ ও বিপণনের প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে মো. মোশাররফ হোসেনকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে দণ্ডের বিধানও দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ১৩ বস্তা ডিএপি সার জব্দ করা হয়।
জব্দ করা সার স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান এসব সার স্থানীয় প্রান্তিক কৃষকদের কাছে সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করবেন। বিক্রির সম্পূর্ণ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।
কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা, সারের কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধ এবং সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসনের তদারকি ও মোবাইল কোর্টের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে অবৈধভাবে সার মজুদ ও বিপণনের অভিযোগে মো. মোশাররফ হোসেন নামে এক ব্যবসায়ীকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তার দোকান থেকে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে মজুদ করা ১৩ বস্তা ডিএপি সার জব্দ করা হয়েছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার পার্বতীপুর ইউনিয়নের দিঘী বাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন গোমস্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিল্লুর রহমান।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে দিঘী বাজারের ওই ব্যবসায়ীর দোকানে অভিযান চালানো হয়। সেখানে সার ব্যবস্থাপনা আইন-২০০৬-এর ১২ ধারা অনুযায়ী অবৈধভাবে সার মজুদ ও বিপণনের প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে মো. মোশাররফ হোসেনকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে দণ্ডের বিধানও দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ১৩ বস্তা ডিএপি সার জব্দ করা হয়।
জব্দ করা সার স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান এসব সার স্থানীয় প্রান্তিক কৃষকদের কাছে সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করবেন। বিক্রির সম্পূর্ণ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।
কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা, সারের কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধ এবং সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসনের তদারকি ও মোবাইল কোর্টের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
