রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

পরীক্ষা চায় এলাকাবাসী

গোপালগঞ্জে সাবমারসিবল পাম্পের পানিতে গ্যাসের উপস্থিতি

গোপালগঞ্জে সাবমারসিবল পাম্পের পানিতে গ্যাসের উপস্থিতি
ছবি : চেকপোস্ট

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় সাবমারসিবল পাম্পের পানির সঙ্গে দাহ্য গ্যাস বের হওয়ার অভিযোগ ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পাম্পের পাইপের মুখে আগুন ধরালে শিখা জ্বলে ওঠার ঘটনা সামনে আসার পর ভূগর্ভে গ্যাসের উৎস রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করে দেখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তবে পদার্থটি প্রাকৃতিক গ্যাস কি না, এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) উপজেলার বান্ধবাড়ি ইউনিয়নের ভাসাই বাজারে হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ী কামরুল শেখের দোকানের সামনে গিয়ে দেখা যায়, ঘটনাটি দেখতে উৎসুক মানুষের ভিড় জমেছে। স্থানীয়দের অনুরোধে পাম্প চালিয়ে পানির সঙ্গে বের হওয়া গ্যাসে আগুন জ্বলার বিষয়টি দেখানো হচ্ছিল।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাছ পরিবহনের গাড়িতে পানি সরবরাহের জন্য প্রায় এক বছর আগে দোকানের সামনে সাবমারসিবল পাম্পটি স্থাপন করেন কামরুল শেখ। প্রায় ২৮০ ফুট গভীরে বসানো পাম্পটি দিয়ে এত দিন নিয়মিত পানি তোলা হতো। তবে গত এক সপ্তাহ ধরে পানির প্রবাহ কমে যায়। এরই মধ্যে বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাতে পাইপের মুখে গ্যাস লাইট ধরালে আগুন জ্বলে ওঠে বলে জানান পাম্পের মালিক।

কামরুল শেখ জানান, মাছের গাড়িতে পানি সরবরাহের উদ্দেশ্যে পাম্পটি স্থাপন করেছিলেন তিনি। সম্প্রতি পানি কম ওঠায় বিষয়টি খতিয়ে দেখতে গিয়ে পাইপের মুখে আগুন জ্বলতে দেখেন। এরপর ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়।

এলাকাবাসীর কয়েকজন জানান, খবর পেয়ে তাঁরা ঘটনাস্থলে এসে আগুন জ্বলার বিষয়টি দেখেছেন। ভূগর্ভে প্রাকৃতিক গ্যাসের উপস্থিতি রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করতে দ্রুত বিশেষজ্ঞ দল পাঠিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

এ বিষয়ে কোটালীপাড়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফ-উল-আরেফীন জানান, ঘটনাটি জানার পর সংশ্লিষ্ট তহশিল কর্মকর্তাদের ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছিল। তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছেন। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

তবে পাম্পের পানির সঙ্গে বের হওয়া পদার্থটি প্রকৃতপক্ষে প্রাকৃতিক গ্যাস কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞদের পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরই এর প্রকৃতি ও উৎস সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।

সতর্কতা: পাইপের মুখে আগুন জ্বালিয়ে পরীক্ষা করা অত্যন্ত বিপজ্জনক। বিশেষজ্ঞদের পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত পাম্পের আশপাশে আগুন, দিয়াশলাই বা গ্যাস লাইট ব্যবহার থেকে বিরত থাকা উচিত।

#কোটালীপাড়া #গোপালগঞ্জের_খবর #সাবমারসিবল_পাম্প_গ্যাস

চেকপোস্ট

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬


গোপালগঞ্জে সাবমারসিবল পাম্পের পানিতে গ্যাসের উপস্থিতি

প্রকাশের তারিখ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় সাবমারসিবল পাম্পের পানির সঙ্গে দাহ্য গ্যাস বের হওয়ার অভিযোগ ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পাম্পের পাইপের মুখে আগুন ধরালে শিখা জ্বলে ওঠার ঘটনা সামনে আসার পর ভূগর্ভে গ্যাসের উৎস রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করে দেখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তবে পদার্থটি প্রাকৃতিক গ্যাস কি না, এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।


বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) উপজেলার বান্ধবাড়ি ইউনিয়নের ভাসাই বাজারে হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ী কামরুল শেখের দোকানের সামনে গিয়ে দেখা যায়, ঘটনাটি দেখতে উৎসুক মানুষের ভিড় জমেছে। স্থানীয়দের অনুরোধে পাম্প চালিয়ে পানির সঙ্গে বের হওয়া গ্যাসে আগুন জ্বলার বিষয়টি দেখানো হচ্ছিল।


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাছ পরিবহনের গাড়িতে পানি সরবরাহের জন্য প্রায় এক বছর আগে দোকানের সামনে সাবমারসিবল পাম্পটি স্থাপন করেন কামরুল শেখ। প্রায় ২৮০ ফুট গভীরে বসানো পাম্পটি দিয়ে এত দিন নিয়মিত পানি তোলা হতো। তবে গত এক সপ্তাহ ধরে পানির প্রবাহ কমে যায়। এরই মধ্যে বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাতে পাইপের মুখে গ্যাস লাইট ধরালে আগুন জ্বলে ওঠে বলে জানান পাম্পের মালিক।


কামরুল শেখ জানান, মাছের গাড়িতে পানি সরবরাহের উদ্দেশ্যে পাম্পটি স্থাপন করেছিলেন তিনি। সম্প্রতি পানি কম ওঠায় বিষয়টি খতিয়ে দেখতে গিয়ে পাইপের মুখে আগুন জ্বলতে দেখেন। এরপর ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়।


এলাকাবাসীর কয়েকজন জানান, খবর পেয়ে তাঁরা ঘটনাস্থলে এসে আগুন জ্বলার বিষয়টি দেখেছেন। ভূগর্ভে প্রাকৃতিক গ্যাসের উপস্থিতি রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করতে দ্রুত বিশেষজ্ঞ দল পাঠিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।


এ বিষয়ে কোটালীপাড়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফ-উল-আরেফীন জানান, ঘটনাটি জানার পর সংশ্লিষ্ট তহশিল কর্মকর্তাদের ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছিল। তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছেন। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে বলেও জানান তিনি।


তবে পাম্পের পানির সঙ্গে বের হওয়া পদার্থটি প্রকৃতপক্ষে প্রাকৃতিক গ্যাস কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞদের পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরই এর প্রকৃতি ও উৎস সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।


সতর্কতা: পাইপের মুখে আগুন জ্বালিয়ে পরীক্ষা করা অত্যন্ত বিপজ্জনক। বিশেষজ্ঞদের পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত পাম্পের আশপাশে আগুন, দিয়াশলাই বা গ্যাস লাইট ব্যবহার থেকে বিরত থাকা উচিত।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত