সরাইলে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী মর্তুজ আলীকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন স্থানীয় লোকজন।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার কালিকচ্ছ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ধরন্তী চাকসার উত্তরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নিলুফা বেগম (৪৬) ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বুধল ইউনিয়নের চান্দিয়ারা গ্রামের মো. শহিদ মিয়ার মেয়ে। তাঁর স্বামী মর্তুজ আলী একই গ্রামের জবান আলী ও সাজেদা বেগমের ছেলে।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক কলহের জেরে নিজ বসতঘরে নিলুফা বেগমকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামী মর্তুজ আলীর বিরুদ্ধে।
ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন মর্তুজ আলীকে আটক করে সরাইল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। বর্তমানে তিনি পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। নিহতের মরদেহও পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই মো. হুমায়ুন মিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুর কাদের ভূঁইয়া বলেন, নিহতের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও পুলিশের তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬
সরাইলে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী মর্তুজ আলীকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন স্থানীয় লোকজন।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার কালিকচ্ছ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ধরন্তী চাকসার উত্তরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নিলুফা বেগম (৪৬) ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বুধল ইউনিয়নের চান্দিয়ারা গ্রামের মো. শহিদ মিয়ার মেয়ে। তাঁর স্বামী মর্তুজ আলী একই গ্রামের জবান আলী ও সাজেদা বেগমের ছেলে।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক কলহের জেরে নিজ বসতঘরে নিলুফা বেগমকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামী মর্তুজ আলীর বিরুদ্ধে।
ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন মর্তুজ আলীকে আটক করে সরাইল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। বর্তমানে তিনি পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। নিহতের মরদেহও পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই মো. হুমায়ুন মিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুর কাদের ভূঁইয়া বলেন, নিহতের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও পুলিশের তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
