গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চরমানিকদাহ এলাকা থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর শাহিন শেখ (১৮) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৩ জুন) সকাল ১১টার দিকে চরমানিকদাহ গ্রামের মৃনাল বিশ্বাসের বাড়ির পাশের একটি পুকুর থেকে তার ভাসমান মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত শাহিন শেখ পার্শ্ববর্তী ঘোষেরচর পশ্চিমপাড়া গ্রামের রবিউল শেখের ছেলে।
গোপালগঞ্জ সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শফিকুল ইসলাম মরদেহ উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করে জানান, গত বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যার পর থেকে শাহিন শেখ হঠাৎ নিখোঁজ হন। এরপর পরিবারের লোকজন আত্মীয়-স্বজনসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। শনিবার সকালে চরমানিকদাহ গ্রামের একটি পুকুরের পানিতে তার মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয় এলাকাবাসী পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে।
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর ওই যুবকের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে এবং সে অনুযায়ী পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চরমানিকদাহ এলাকা থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর শাহিন শেখ (১৮) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৩ জুন) সকাল ১১টার দিকে চরমানিকদাহ গ্রামের মৃনাল বিশ্বাসের বাড়ির পাশের একটি পুকুর থেকে তার ভাসমান মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত শাহিন শেখ পার্শ্ববর্তী ঘোষেরচর পশ্চিমপাড়া গ্রামের রবিউল শেখের ছেলে।
গোপালগঞ্জ সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শফিকুল ইসলাম মরদেহ উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করে জানান, গত বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যার পর থেকে শাহিন শেখ হঠাৎ নিখোঁজ হন। এরপর পরিবারের লোকজন আত্মীয়-স্বজনসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। শনিবার সকালে চরমানিকদাহ গ্রামের একটি পুকুরের পানিতে তার মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয় এলাকাবাসী পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে।
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর ওই যুবকের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে এবং সে অনুযায়ী পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
