গোপালগঞ্জে চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের অভিযোগে দুইটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (৯ জুন) সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ রোড এলাকায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিচালিত অভিযানে এ জরিমানা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ কে এম ফয়জুল বারী। এ সময় পরিবেশ অধিদপ্তর ও আনসার ব্যাটালিয়নের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, অভিযানের সময় দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় একাধিক অনিয়ম পাওয়া যায়। চিকিৎসা-বর্জ্য (ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ) বিধিমালা, ২০০৮ অনুযায়ী বর্জ্য উৎপাদনের স্থানেই তা পৃথকভাবে সংগ্রহ, ঢাকনাযুক্ত পাত্রে সংরক্ষণ এবং নির্ধারিত নিয়মে লেবেলিং করার বাধ্যবাধকতা থাকলেও প্রতিষ্ঠান দুটি তা মানেনি।
এ অপরাধে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত-২০১০) এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুযায়ী মা ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও নিউ স্কয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে পৃথকভাবে ৫ হাজার টাকা করে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
কর্তৃপক্ষ জানায়, চিকিৎসা বর্জ্য যথাযথভাবে পৃথকীকরণ ও সংরক্ষণ না করলে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়ে। এতে সংক্রামক বর্জ্য ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি পরিবেশ দূষণের আশঙ্কা থাকে।
ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পরিবেশ অধিদপ্তর গোপালগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মনিরুজ্জামান শেখ।
পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা বর্জ্যের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে। জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষায় কঠোর অবস্থান বজায় রাখা হবে বলেও জানানো হয়।

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
গোপালগঞ্জে চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের অভিযোগে দুইটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (৯ জুন) সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ রোড এলাকায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিচালিত অভিযানে এ জরিমানা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ কে এম ফয়জুল বারী। এ সময় পরিবেশ অধিদপ্তর ও আনসার ব্যাটালিয়নের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, অভিযানের সময় দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় একাধিক অনিয়ম পাওয়া যায়। চিকিৎসা-বর্জ্য (ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ) বিধিমালা, ২০০৮ অনুযায়ী বর্জ্য উৎপাদনের স্থানেই তা পৃথকভাবে সংগ্রহ, ঢাকনাযুক্ত পাত্রে সংরক্ষণ এবং নির্ধারিত নিয়মে লেবেলিং করার বাধ্যবাধকতা থাকলেও প্রতিষ্ঠান দুটি তা মানেনি।
এ অপরাধে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত-২০১০) এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুযায়ী মা ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও নিউ স্কয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে পৃথকভাবে ৫ হাজার টাকা করে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
কর্তৃপক্ষ জানায়, চিকিৎসা বর্জ্য যথাযথভাবে পৃথকীকরণ ও সংরক্ষণ না করলে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়ে। এতে সংক্রামক বর্জ্য ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি পরিবেশ দূষণের আশঙ্কা থাকে।
ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পরিবেশ অধিদপ্তর গোপালগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মনিরুজ্জামান শেখ।
পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা বর্জ্যের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে। জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষায় কঠোর অবস্থান বজায় রাখা হবে বলেও জানানো হয়।
