ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার গোকর্ণ সৈয়দ অলিউল্লাহ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ-কে ঘিরে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে এক তরুণ ও এক তরুণীকে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখা যায়। ভিডিওটি একজন ব্যক্তি গোপনে মোবাইল ফোনে ধারণ করেছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে ভিডিওটি কবে, কোথায় এবং কী পরিস্থিতিতে ধারণ করা হয়েছে, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রকৃত সত্য উদঘাটনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক সঞ্জিৎ কুমার দেব বলেন, তিনি সকালে ভিডিওটি দেখেছেন এবং এর আগে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছিলেন না। ভিডিওতে থাকা ছেলেটিকে তিনি শনাক্ত করতে পেরেছেন এবং তিনি এসএসসি পরীক্ষা শেষে ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠান ছেড়ে গেছেন। বিষয়টি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
প্রধান শিক্ষক আরও বলেন, এ ধরনের ঘটনা প্রতিষ্ঠানের সুনামের জন্য ক্ষতিকর এবং এর ফলে প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
দ্রষ্টব্য: ভিডিওটির সময়, স্থান ও প্রেক্ষাপট স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সমীচীন নয়।

মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার গোকর্ণ সৈয়দ অলিউল্লাহ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ-কে ঘিরে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে এক তরুণ ও এক তরুণীকে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখা যায়। ভিডিওটি একজন ব্যক্তি গোপনে মোবাইল ফোনে ধারণ করেছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে ভিডিওটি কবে, কোথায় এবং কী পরিস্থিতিতে ধারণ করা হয়েছে, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রকৃত সত্য উদঘাটনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক সঞ্জিৎ কুমার দেব বলেন, তিনি সকালে ভিডিওটি দেখেছেন এবং এর আগে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছিলেন না। ভিডিওতে থাকা ছেলেটিকে তিনি শনাক্ত করতে পেরেছেন এবং তিনি এসএসসি পরীক্ষা শেষে ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠান ছেড়ে গেছেন। বিষয়টি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
প্রধান শিক্ষক আরও বলেন, এ ধরনের ঘটনা প্রতিষ্ঠানের সুনামের জন্য ক্ষতিকর এবং এর ফলে প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
দ্রষ্টব্য: ভিডিওটির সময়, স্থান ও প্রেক্ষাপট স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সমীচীন নয়।
