রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলা সদরের বাজারে যানজট নিরসনের লক্ষ্যে অটোরিকশা স্ট্যান্ড নির্মাণ প্রকল্পে ১ লাখ ৫৩ হাজার ৯৭৮ টাকা ব্যয় দেখানো হলেও বাস্তবে সেখানে দেখা গেছে মাত্র চারটি সাইনবোর্ড ও সীমিত পরিসরের ইটের সলিং। স্ট্যান্ডে নেই কোনো অটোরিকশা, নেই পর্যাপ্ত জায়গা। ফলে প্রকল্পটির কার্যকারিতা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
২০২৫–২৬ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় উপজেলা এলজিইডির বাস্তবায়নে নেওয়া প্রকল্পটির বিল-ভাউচার অনুযায়ী চারটি সাইনবোর্ড স্থাপন এবং ১০ মিটার ইটের সলিংয়ের কাজ দেখানো হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, নির্ধারিত স্থানে চারটি সাইনবোর্ড থাকলেও স্ট্যান্ড হিসেবে ব্যবহারের মতো অবকাঠামো নেই। সাইনবোর্ডের পাশে পড়ে আছে আবর্জনা ও ব্যবহৃত জুতা-স্যান্ডেল। সেখানে কোনোদিন অটোরিকশা দাঁড়াতে বা যাত্রী ওঠানামা করতে দেখা যায়নি। অন্যদিকে বাজারের বিভিন্ন স্থানে অটোরিকশা দাঁড়িয়ে যাত্রী ওঠানামা করায় আগের মতোই যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা সামসুল হক বলেন, সরকারি অর্থ ব্যয় হলেও দৃশ্যমান উন্নয়ন খুবই সীমিত। চারটি সাইনবোর্ড ও অল্প কিছু ইটের কাজ ছাড়া প্রকল্পের বাস্তব কোনো সুফল দেখা যাচ্ছে না।
স্থানীয় যুবক আহাদ মিয়া অভিযোগ করেন, সরকারি অর্থ ব্যয় হলেও প্রকল্পটি কার্যকর হয়নি এবং জনগণ এর কোনো সুবিধা পাচ্ছে না।
অটোরিকশাচালক আসিকুল মিয়া বলেন, স্ট্যান্ড ব্যবহারে চালকদের সঙ্গে প্রশাসনের কার্যকর সমন্বয় হয়নি। নির্দিষ্ট নিয়ম করে সবাইকে স্ট্যান্ড ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে যানজট অনেকটাই কমানো সম্ভব।
বাংলাদেশ লেবার পার্টির রংপুর মহানগর শাখার সভাপতি মুহাম্মদ শামসুদ্দিন রাজা বলেন, বিপুল অর্থ ব্যয়ের পরও যদি স্ট্যান্ডে কোনো অটোরিকশাই না থাকে এবং যানজট না কমে, তাহলে প্রকল্পের উদ্দেশ্য ও ব্যয়ের যথার্থতা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রকৌশলী জয়া স্যানাল বলেন, তিনি নতুন দায়িত্ব নিয়েছেন এবং বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার জানান, প্রকল্পের কিছু কাজ এখনো বাকি রয়েছে। কাজ সম্পূর্ণ বুঝে পাওয়ার পরই বিল পরিশোধ করা হবে।
এদিকে স্থানীয়দের দাবি, প্রকল্পটির ব্যয়, বাস্তবায়ন ও কার্যকারিতা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক, যাতে সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত হয়।

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলা সদরের বাজারে যানজট নিরসনের লক্ষ্যে অটোরিকশা স্ট্যান্ড নির্মাণ প্রকল্পে ১ লাখ ৫৩ হাজার ৯৭৮ টাকা ব্যয় দেখানো হলেও বাস্তবে সেখানে দেখা গেছে মাত্র চারটি সাইনবোর্ড ও সীমিত পরিসরের ইটের সলিং। স্ট্যান্ডে নেই কোনো অটোরিকশা, নেই পর্যাপ্ত জায়গা। ফলে প্রকল্পটির কার্যকারিতা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
২০২৫–২৬ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় উপজেলা এলজিইডির বাস্তবায়নে নেওয়া প্রকল্পটির বিল-ভাউচার অনুযায়ী চারটি সাইনবোর্ড স্থাপন এবং ১০ মিটার ইটের সলিংয়ের কাজ দেখানো হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, নির্ধারিত স্থানে চারটি সাইনবোর্ড থাকলেও স্ট্যান্ড হিসেবে ব্যবহারের মতো অবকাঠামো নেই। সাইনবোর্ডের পাশে পড়ে আছে আবর্জনা ও ব্যবহৃত জুতা-স্যান্ডেল। সেখানে কোনোদিন অটোরিকশা দাঁড়াতে বা যাত্রী ওঠানামা করতে দেখা যায়নি। অন্যদিকে বাজারের বিভিন্ন স্থানে অটোরিকশা দাঁড়িয়ে যাত্রী ওঠানামা করায় আগের মতোই যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা সামসুল হক বলেন, সরকারি অর্থ ব্যয় হলেও দৃশ্যমান উন্নয়ন খুবই সীমিত। চারটি সাইনবোর্ড ও অল্প কিছু ইটের কাজ ছাড়া প্রকল্পের বাস্তব কোনো সুফল দেখা যাচ্ছে না।
স্থানীয় যুবক আহাদ মিয়া অভিযোগ করেন, সরকারি অর্থ ব্যয় হলেও প্রকল্পটি কার্যকর হয়নি এবং জনগণ এর কোনো সুবিধা পাচ্ছে না।
অটোরিকশাচালক আসিকুল মিয়া বলেন, স্ট্যান্ড ব্যবহারে চালকদের সঙ্গে প্রশাসনের কার্যকর সমন্বয় হয়নি। নির্দিষ্ট নিয়ম করে সবাইকে স্ট্যান্ড ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে যানজট অনেকটাই কমানো সম্ভব।
বাংলাদেশ লেবার পার্টির রংপুর মহানগর শাখার সভাপতি মুহাম্মদ শামসুদ্দিন রাজা বলেন, বিপুল অর্থ ব্যয়ের পরও যদি স্ট্যান্ডে কোনো অটোরিকশাই না থাকে এবং যানজট না কমে, তাহলে প্রকল্পের উদ্দেশ্য ও ব্যয়ের যথার্থতা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রকৌশলী জয়া স্যানাল বলেন, তিনি নতুন দায়িত্ব নিয়েছেন এবং বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার জানান, প্রকল্পের কিছু কাজ এখনো বাকি রয়েছে। কাজ সম্পূর্ণ বুঝে পাওয়ার পরই বিল পরিশোধ করা হবে।
এদিকে স্থানীয়দের দাবি, প্রকল্পটির ব্যয়, বাস্তবায়ন ও কার্যকারিতা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক, যাতে সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত হয়।
