খুলনায় প্রেসক্লাবের ভেতরে ঢুকে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
সোমবার (রাত) নগরীর নিরালা আবাসিক এলাকার দিঘিরপাড় এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন বাবুল গাজী (৩৬) ও মো. সবুজ (৪১)। তারা পেশায় দর্জি এবং স্থানীয় একটি টেইলার্সে কাজ করেন।
পুলিশ জানায়, ঘটনার পরপরই সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয় এবং তাতে তাদের উপস্থিতি দেখা যায়। পরে তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। তারা প্রথমে কোনো তথ্য দিতে না পারলেও ফুটেজে উপস্থিতির ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জানান, এজাহারভুক্ত চার আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। গ্রেফতার হওয়া এই দুইজন অজ্ঞাতনামা আসামির তালিকায় ছিলেন।
মঙ্গলবার তাদের আদালতে হাজির করা হলে মহানগর হাকিম আদালত বিকেলে জামিন মঞ্জুর করেন। ফলে গ্রেফতারের প্রায় ১৪ ঘণ্টার মধ্যেই তারা মুক্তি পান।
উল্লেখ্য, রোববার খুলনা প্রেসক্লাব-এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রচারণার সময় এই হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, কয়েকজন ব্যক্তি সভাপতি প্রার্থী মোস্তফা সরোয়ারের নাম ধরে ডাকাডাকি ও গালিগালাজ করতে থাকেন।
এ সময় সাংবাদিক তরিকুল ইসলাম বিষয়টি জানতে চাইলে তার ওপর হামলা চালানো হয় বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর সাংবাদিক মহলে উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
খুলনায় প্রেসক্লাবের ভেতরে ঢুকে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
সোমবার (রাত) নগরীর নিরালা আবাসিক এলাকার দিঘিরপাড় এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন বাবুল গাজী (৩৬) ও মো. সবুজ (৪১)। তারা পেশায় দর্জি এবং স্থানীয় একটি টেইলার্সে কাজ করেন।
পুলিশ জানায়, ঘটনার পরপরই সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয় এবং তাতে তাদের উপস্থিতি দেখা যায়। পরে তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। তারা প্রথমে কোনো তথ্য দিতে না পারলেও ফুটেজে উপস্থিতির ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জানান, এজাহারভুক্ত চার আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। গ্রেফতার হওয়া এই দুইজন অজ্ঞাতনামা আসামির তালিকায় ছিলেন।
মঙ্গলবার তাদের আদালতে হাজির করা হলে মহানগর হাকিম আদালত বিকেলে জামিন মঞ্জুর করেন। ফলে গ্রেফতারের প্রায় ১৪ ঘণ্টার মধ্যেই তারা মুক্তি পান।
উল্লেখ্য, রোববার খুলনা প্রেসক্লাব-এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রচারণার সময় এই হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, কয়েকজন ব্যক্তি সভাপতি প্রার্থী মোস্তফা সরোয়ারের নাম ধরে ডাকাডাকি ও গালিগালাজ করতে থাকেন।
এ সময় সাংবাদিক তরিকুল ইসলাম বিষয়টি জানতে চাইলে তার ওপর হামলা চালানো হয় বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর সাংবাদিক মহলে উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
