খুলনার রুপসা উপজেলায় দুর্বৃত্তের গুলিতে গুরুতর আহত মোঃ মামুন মীর (৩৫) দীর্ঘ ৩২ দিন মৃত্যুের সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে মারা গেছেন। আজ সোমবার ২২ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১২ টার দিকে নিজ বাড়িতে তার মৃত্যু হয়। নিহত মামুন মীর রুপসা উপজেলার বাগমারা এলাকার বাসিন্দা নিয়ামত মীরের বড় ছেলে। স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সুত্রে জানাগেছে, গত ১৮ আগষ্ট রাত পৌনে ১০ টার দিকে উপজেলার নৈহাটি ইউনিয়নের আবু সালেহীন প্রতিবন্ধী স্কুলের সামনে দুর্বৃত্তের গুলিতে গুরুতর আহত হন মামুন।
এসময় তার মাথা ও চোখে গুলি লাগে বলে জানাযায়। ঘটনার পর স্থানীয়রা রক্তাক্ত ও আশংকাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
দীর্ঘ দিন চিকিৎসা শেষে ২১ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১১ টার দিকে পরিবারের সদস্যেরা তাকে ঢাকা থেকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। এর প্রায় ১ ঘন্টা পর রাত সাড়ে ১২ টার দিকে তিনি মারা যান। এদিকে ২২ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে রুপসা এলাকার মসজিদে আকাসা জানাজা শেষে মামুনের লাশ দাফনের প্রস্তুতি নেওয়া হলে পুলিশ তাতে বাধা দেয়।
পরে পুলিশের একটি দল মরদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। রুপসা থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আনোয়ার জাহিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গত ১৮ আগষ্ট রাতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে মামুন গুরুতর আহত হন।
পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়। ২১ সেপ্টেম্বর রাতে ঢাকা থেকে বাড়িতে নিয়ে আসার পর তার মৃত্যু হয়। ওসি আরো বলেন, ময়না তদন্ত না করে তড়িঘড়ি করে লাশ দাফনের চেষ্টা করা হলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। কে বা কারা তাকে গুলি করেছে, তা এখোনোও স্পষ্ট নয়। এঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ মামলা করতে চাইলে।আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
খুলনার রুপসা উপজেলায় দুর্বৃত্তের গুলিতে গুরুতর আহত মোঃ মামুন মীর (৩৫) দীর্ঘ ৩২ দিন মৃত্যুের সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে মারা গেছেন। আজ সোমবার ২২ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১২ টার দিকে নিজ বাড়িতে তার মৃত্যু হয়। নিহত মামুন মীর রুপসা উপজেলার বাগমারা এলাকার বাসিন্দা নিয়ামত মীরের বড় ছেলে। স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সুত্রে জানাগেছে, গত ১৮ আগষ্ট রাত পৌনে ১০ টার দিকে উপজেলার নৈহাটি ইউনিয়নের আবু সালেহীন প্রতিবন্ধী স্কুলের সামনে দুর্বৃত্তের গুলিতে গুরুতর আহত হন মামুন।
এসময় তার মাথা ও চোখে গুলি লাগে বলে জানাযায়। ঘটনার পর স্থানীয়রা রক্তাক্ত ও আশংকাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
দীর্ঘ দিন চিকিৎসা শেষে ২১ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১১ টার দিকে পরিবারের সদস্যেরা তাকে ঢাকা থেকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। এর প্রায় ১ ঘন্টা পর রাত সাড়ে ১২ টার দিকে তিনি মারা যান। এদিকে ২২ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে রুপসা এলাকার মসজিদে আকাসা জানাজা শেষে মামুনের লাশ দাফনের প্রস্তুতি নেওয়া হলে পুলিশ তাতে বাধা দেয়।
পরে পুলিশের একটি দল মরদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। রুপসা থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আনোয়ার জাহিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গত ১৮ আগষ্ট রাতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে মামুন গুরুতর আহত হন।
পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়। ২১ সেপ্টেম্বর রাতে ঢাকা থেকে বাড়িতে নিয়ে আসার পর তার মৃত্যু হয়। ওসি আরো বলেন, ময়না তদন্ত না করে তড়িঘড়ি করে লাশ দাফনের চেষ্টা করা হলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। কে বা কারা তাকে গুলি করেছে, তা এখোনোও স্পষ্ট নয়। এঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ মামলা করতে চাইলে।আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
