মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

রায়েরমহলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা

খুলনায় তাতী দল নেতা হুমায়ুন কবীরকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা

খুলনায় তাতী দল নেতা হুমায়ুন কবীরকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা
ছবি : চেকপোস্ট

খুলনায় দুর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের হামলায় মহানগর তাঁতি দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবীর নিহত হয়েছেন। রোববার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে নগরীর রায়েরমহল বড় মসজিদের পেছনে তাঁর নিজস্ব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ‘হিল ক্যান্টিনে’ এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

নিহত হুমায়ুন কবীর সৈয়দ আনোয়ার আলীর ছেলে। তিনি রায়েরমহল বড় মসজিদের পেছনে নিজ বাসায় বসবাস করতেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় হুমায়ুন কবীর নিজের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বসে ছিলেন। এ সময় কয়েকজন দুর্বৃত্ত সেখানে গিয়ে তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের স্বজন সৈয়দ দিদারুল করিম বিপ্লব অভিযোগ করেন, ছাত্রদল নেতা আরাফাত ও তাঁর সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাঁর ছোট চাচা হুমায়ুন কবীরের ওপর হামলা চালান। হামলাকারীরা শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে কুপিয়ে জখম করেন।

এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন নিহতের স্বজনরা।

হত্যাকাণ্ডের পর নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে আড়ংঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাৎক্ষণিকভাবে হত্যাকাণ্ডের কারণও জানা যায়নি।

Image

#খুলনারখবর #তাঁতিদলনেতাখুন #হুমায়ুনকবীর

চেকপোস্ট

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


খুলনায় তাতী দল নেতা হুমায়ুন কবীরকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

খুলনায় দুর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের হামলায় মহানগর তাঁতি দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবীর নিহত হয়েছেন। রোববার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে নগরীর রায়েরমহল বড় মসজিদের পেছনে তাঁর নিজস্ব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ‘হিল ক্যান্টিনে’ এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।


নিহত হুমায়ুন কবীর সৈয়দ আনোয়ার আলীর ছেলে। তিনি রায়েরমহল বড় মসজিদের পেছনে নিজ বাসায় বসবাস করতেন।


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় হুমায়ুন কবীর নিজের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বসে ছিলেন। এ সময় কয়েকজন দুর্বৃত্ত সেখানে গিয়ে তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।


এ ঘটনায় নিহতের স্বজন সৈয়দ দিদারুল করিম বিপ্লব অভিযোগ করেন, ছাত্রদল নেতা আরাফাত ও তাঁর সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাঁর ছোট চাচা হুমায়ুন কবীরের ওপর হামলা চালান। হামলাকারীরা শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে কুপিয়ে জখম করেন।


এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন নিহতের স্বজনরা।


হত্যাকাণ্ডের পর নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।


এ বিষয়ে আড়ংঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাৎক্ষণিকভাবে হত্যাকাণ্ডের কারণও জানা যায়নি।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত