দীর্ঘদিন ধরে উৎপাদন বন্ধ ও লোকসানে থাকা খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলস এবং হার্ডবোর্ড মিলের জায়গায় আধুনিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যে সেখানে লিথিয়াম ব্যাটারি উৎপাদন কারখানা স্থাপনে চীনের বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা কামনা করেছে শিল্প মন্ত্রণালয়।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, উৎপাদনহীন রাষ্ট্রীয় শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ফিরিয়ে আনতে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়ানের সঙ্গে বৈঠকে খুলনার দুই বন্ধ মিলের বর্তমান অবস্থা ও সম্ভাব্য শিল্পায়ন পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।
খুলনার খালিশপুর শিল্পাঞ্চলে অবস্থিত নিউজপ্রিন্ট মিল ২০০২ সালে এবং হার্ডবোর্ড মিল ২০১৩ সালে উৎপাদন বন্ধ করে। একসময় জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা প্রতিষ্ঠান দুটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর খালিশপুরকে ‘মৃত শিল্পনগরী’ বলেও আখ্যায়িত করা হয়।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, পুরোনো ও অচল শিল্প কাঠামোর পরিবর্তে নতুন প্রযুক্তিনির্ভর শিল্প স্থাপন করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম জোরদার করা হবে। বিশেষ করে বৈশ্বিক বাজারে দ্রুত চাহিদা বাড়তে থাকা লিথিয়াম ব্যাটারি উৎপাদনের সম্ভাবনা বিবেচনায় এনে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বাণিজ্য, বস্ত্র, পাট ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, বন্ধ মিলগুলোর পুনরুজ্জীবন, নতুন বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়টি চীনের কাছে গুরুত্বসহকারে তুলে ধরা হয়েছে। তিনি বলেন, পুরোনো এসব মিলের উৎপাদিত পণ্যের চাহিদা বর্তমানে অনেক কমে গেছে। তাই আধুনিক ও সম্ভাবনাময় শিল্প স্থাপনের মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে টেকসই সমাধান খোঁজা হচ্ছে।
সরকার আশা করছে, বিদেশি বিনিয়োগ ও উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে খুলনার বন্ধ শিল্পাঞ্চলে নতুন প্রাণ ফিরে আসবে এবং স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬
দীর্ঘদিন ধরে উৎপাদন বন্ধ ও লোকসানে থাকা খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলস এবং হার্ডবোর্ড মিলের জায়গায় আধুনিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যে সেখানে লিথিয়াম ব্যাটারি উৎপাদন কারখানা স্থাপনে চীনের বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা কামনা করেছে শিল্প মন্ত্রণালয়।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, উৎপাদনহীন রাষ্ট্রীয় শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ফিরিয়ে আনতে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়ানের সঙ্গে বৈঠকে খুলনার দুই বন্ধ মিলের বর্তমান অবস্থা ও সম্ভাব্য শিল্পায়ন পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।
খুলনার খালিশপুর শিল্পাঞ্চলে অবস্থিত নিউজপ্রিন্ট মিল ২০০২ সালে এবং হার্ডবোর্ড মিল ২০১৩ সালে উৎপাদন বন্ধ করে। একসময় জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা প্রতিষ্ঠান দুটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর খালিশপুরকে ‘মৃত শিল্পনগরী’ বলেও আখ্যায়িত করা হয়।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, পুরোনো ও অচল শিল্প কাঠামোর পরিবর্তে নতুন প্রযুক্তিনির্ভর শিল্প স্থাপন করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম জোরদার করা হবে। বিশেষ করে বৈশ্বিক বাজারে দ্রুত চাহিদা বাড়তে থাকা লিথিয়াম ব্যাটারি উৎপাদনের সম্ভাবনা বিবেচনায় এনে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বাণিজ্য, বস্ত্র, পাট ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, বন্ধ মিলগুলোর পুনরুজ্জীবন, নতুন বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়টি চীনের কাছে গুরুত্বসহকারে তুলে ধরা হয়েছে। তিনি বলেন, পুরোনো এসব মিলের উৎপাদিত পণ্যের চাহিদা বর্তমানে অনেক কমে গেছে। তাই আধুনিক ও সম্ভাবনাময় শিল্প স্থাপনের মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে টেকসই সমাধান খোঁজা হচ্ছে।
সরকার আশা করছে, বিদেশি বিনিয়োগ ও উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে খুলনার বন্ধ শিল্পাঞ্চলে নতুন প্রাণ ফিরে আসবে এবং স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।
