গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় ভিমরুলের আক্রমণে আমির হামজা (৪) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেলে কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত আমির হামজা উপজেলার কুশলা ইউনিয়নের লাখিরপাড় গ্রামের শুকুর আলীর ছেলে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে মায়ের সঙ্গে বাড়ির পাশের একটি মাছের ঘের থেকে ছাগল আনতে গেলে হঠাৎ একঝাঁক ভিমরুল তাদের ওপর আক্রমণ চালায়। এতে মা ও শিশু দুজনই একাধিক কামড়ে আহত হন। তাদের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে শিশুটির শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে মনে হওয়ায় স্বজনরা তাকে বাড়িতে নিয়ে যান। তবে বিকেলের দিকে হঠাৎ তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পুনরায় হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।
হাসপাতালের চিকিৎসক জানান, সকালে চিকিৎসা গ্রহণের পর শিশুটি বাড়ি ফিরে গেলেও পরে তার অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। দ্বিতীয়বার হাসপাতালে আনার সময় সে আর জীবিত ছিল না।
চার বছরের শিশু আমির হামজার আকস্মিক মৃত্যুতে লাখিরপাড় গ্রামসহ পুরো কুশলা ইউনিয়নে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে এলাকায় এক হৃদয়বিদারক পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় ভিমরুলের আক্রমণে আমির হামজা (৪) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেলে কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত আমির হামজা উপজেলার কুশলা ইউনিয়নের লাখিরপাড় গ্রামের শুকুর আলীর ছেলে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে মায়ের সঙ্গে বাড়ির পাশের একটি মাছের ঘের থেকে ছাগল আনতে গেলে হঠাৎ একঝাঁক ভিমরুল তাদের ওপর আক্রমণ চালায়। এতে মা ও শিশু দুজনই একাধিক কামড়ে আহত হন। তাদের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে শিশুটির শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে মনে হওয়ায় স্বজনরা তাকে বাড়িতে নিয়ে যান। তবে বিকেলের দিকে হঠাৎ তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পুনরায় হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।
হাসপাতালের চিকিৎসক জানান, সকালে চিকিৎসা গ্রহণের পর শিশুটি বাড়ি ফিরে গেলেও পরে তার অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। দ্বিতীয়বার হাসপাতালে আনার সময় সে আর জীবিত ছিল না।
চার বছরের শিশু আমির হামজার আকস্মিক মৃত্যুতে লাখিরপাড় গ্রামসহ পুরো কুশলা ইউনিয়নে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে এলাকায় এক হৃদয়বিদারক পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।
